এপ্রিল মাসে কক্সবাজরেন টেকনাফ জুড়ে একধরনে
ক্ষতিকর পোকা দেখা যাচ্ছে, যা গাছে কছি পাতা খেয়ে পেলছে, এ দেখে তোলপাড় হয়ে পড়েছেন স্থানিয়রা।টেকনাফে যে পতঙ্গ দেখা গিয়েছে তা কোনো ভাবেই আফ্রিকান লুকাস্ট বা পঙ্গপাল নয়।যেটা আক্রমন ঠেকাতে প্রস্তুত ভারত ও পাকিস্তান। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এটি সাধারন ক্ষতিকার স্থানিয় জাতের পোকা। তবে কিটবিজ্ঞানী অধ্যপক রুহুল আমিনের মতে, এটিও একধরনের লুকাস্ট বা পঙ্গপাল তবে আফ্রিকান জাতের নয়। কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, টেকনাফে দেখা পঙ্গতটি স্থানীয়ভাবে কৃটনাশ প্রয়োগ করে পাওয়া গেছে সফল হয়েছেন।
কিন্তু কিটবিজ্ঞানী অধ্যপক রুহুল আমিনের মতে,
মে মাসে পঙ্গপালের বংশবৃস্তারের উপযুক্ত সময় বলে বিবেচনা করা হয় তাই এখনি খাদ্য সকট মোকাবেলাই এখনি প্রতিরোধ করার তাগিত কিটবিজ্ঞানীদের।
এইদিকে কৃষিমন্ত্রী নূরনবী বলছেন পঙ্গপালের আক্রমন ঠেকাতে যথেষ্ট প্রস্তুত আছেন এবং পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পঙ্গপালর কি...
এই পতঙ্গটি ঘাসফড়িং এর সমগোত্রের প্রানি,আচরন পরিবর্তন করে দল বেধে হয়ে উঠে পঙ্গপাল। আক্রমন করে মাঠে পর মাঠ ফসল উজাড় করে তারা। ১০ লক্ষ পঙ্গপালর একদিনে ৩৫ হাজার মানুষের খাবার খেয়ে পেলতে পারে। এরা মধ্যে ও পূর্ব আফ্রিকায় আক্রমন করেছে ঘাসফড়িং এর এই প্রজাতি, এবং ভারত ও পাকিস্তানে পাওয়া গেছে এর অস্তিত্ব।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে দয়া করে আমাদের জানান আমরা চেষ্টা করবো আপনার অভিযোগটির উত্তর দিতে।
ধন্যবাদ...