কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ১৯৮৩/৮৪ সালে কমলাপুর রেলস্টেশনে। ছবিটিতে লাল টি শার্ট পরা ছোট ছেলেটি বর্তমান কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও তার বাম দিকের বিস্কিট কালারের স্যুট পরিহিত ভদ্রলোক ততকালীন প্রধানমন্ত্রী পেয়ারে ট্রুডো।
১৯৭১ সালে যখন বাংলাদেশের বীর জনতা লড়াই করছে পশ্চিম পাকিস্তানি হানাদারদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে, তখন অনেক বিদেশী রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রপ্রধানই নানা ভাবে, নানা আঙ্গিকে এগিয়ে এসেছিলেন মুক্তিকামী বাংলাদেশের সাহায্যার্থে। তাদের মধ্যে বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য কানাডা ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডো।
পিয়েরে ট্রুডো হলেন কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর পিতা। তার পুরো নাম জোসেফ ফিলিপ পিয়েরে ইভস ইলিয়ট ট্রুডো। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্মলগ্নে নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে পিয়েরে ট্রুডো বাংলাদেশকে যেভাবে সাহায্য করেছিলেন, সে কথা ভোলেনি বাংলাদেশও। তাই তো মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর 'বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা' প্রদান করা হয়।
২০১৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মন্ট্রিলে হায়াত রিজেন্সি হোটেলে কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও পিয়েরে ট্রুডোর পুত্র জাস্টিন ট্রুডোর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে দয়া করে আমাদের জানান আমরা চেষ্টা করবো আপনার অভিযোগটির উত্তর দিতে।
ধন্যবাদ...