Ads

Breaking

সোমবার, ৪ মে, ২০২০

মালদ্বীপ চালাচ্ছেন বাংলাদেশিরা ৪ লাক্ষেরও মধ্যে ১ লাক্ষেরও বেশী বাংলাদেশী !


মালদ্বীপ বা মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্র ভারত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম মালে। দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্ক এর সদস্য। অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি এ দেশ বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ। পর্যটনের জন্য বিখ্যাত এ দেশের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ উচ্চতা মাত্র দুই দশমিক তিন মিটার এবং গড় উচ্চতা মাত্র এক দশমিক পাঁচ মিটার। এক হাজার দুই শ’রও বেশি ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত মালদ্বীপ।

মালদ্বীপে চার লাক্ষ নাগরিকের মধ্যে এখন এক লাক্ষের উপন বাংলাদেশিরশ। মালদ্বীপের রাজধানী 
মালে স্থানীয় নাগরিকের চেয়ে বাজ্ঞালীর সংখ্যা বেশি।

মধ্যপ্রাচ্য ইউরোপ ও আমেরিকা পরিবর্তে ছোট এই দ্বীপে বাংলাদেশিদের বৈধ,অবৈধ দুটি পথ মিলিয়ে প্রবেশের সুযোগ করে থাকে এক শ্রেনির দালাল,

মালদ্বীপে হুলহুল মালে সহ অন্য অন্য দ্বীপে অসংখ্যা বাংলাদেশি নাগরিক কাজ করছেন।পুরো মালদ্বীপই এখন বাংলাদেশিরা চালাচ্ছেন, অথাৎ পর্যটকের চেয়েও উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশিরা কাজ করছেন।

 কিছু যায়গায় বাংলাদেশি শ্রমিক সংখ্যা স্থানীয় শ্রমিকের থেকেও বেশি। সাধারনত ভ্রমনের জন্য মালদ্বীপের হুলহুল মালে ও মাহফুসি তে বছরের সব সময় ভ্রমনকারীরা বীড় করেন, এজন্য এই দ্বীপ দুটিতে বাংলাদেশি শ্রমিকের ও চাহিদা বেশি।

তারা কেউ ব্যবসা করছেন, আবার কেউ হোটেল রেস্টুডেন্টে রান্নার কাজ করছেন, আবার কেউ বা
হোটেল মেনেজার, কেউ ওয়েটার বা হোটেল বয়।

আবার এমনও বালাদেশি আছেন যারা রাস্তাঘাট তৈরি করা থেকে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মানের সজ্ঞে জড়িত
এছাড়াও মালদ্বীপের সড়ক গুলোতে বিভিন্ন দোকান,খাবার দোকানে এবং সাগরে ভেসে থাকা বিলাস বহুল জাহাজগুলোতেও বাংলাদেশিদের কাজ করতে দেখা গেয়েছে।

অবশ্য বাংলাদেশি শ্রমিক ও কর্মী ছাড়াও অন্য অন্য দেশের মধ্যে পিলিপিনস,ভারত ও সিলংকার কিছু নাগরিক মালদ্বীপে কাজ করছেন। যদিও বাংলাদেশিদের চেয়ে সংখ্যায় তুললামূলক কম।

ধারনা করা হয়েছে অন্য অন্য দেশে থেকেও বাংলাদেশিদের বেতন কম তাই বাংলাদেশিদের চাহিদা বেশি।
মালদ্বীপের হুলহুল মালে ফাইভ স্টার হোটেল ও বেশ কয়েকটি হোটেলে কয়েক বছর ধরে কাজ করছেন বাংলাদেশিরা। হোটেল গুলোতে যারা বাংলাদেশি ওয়েটার বা হোটেল বয় রয়েছে তারা মাসে দুই থেকে তিন'শত ডলারও পায়, তবে যারা রান্না বা মেনেজারের দ্বায়ীতে আছেন তাদের বেতন কিছুটা বেশি।

বাংলাদেশে জন্য গর্ব এবং একটি অন্যতম ভালো দিক হচ্ছে, মালদ্বীপে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাজের মান নিয়ে, মালদ্বীপের স্থানীয় বাসীরা অনেক খুশি।
সেই জন্য বাংলাদেশিরা প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পেয়ে থাকেন।

অসংখ্যা সমস্যা,প্রতিবন্ধকতা,পরিপূর্ণ সুযোগ সুবিধা না থাকলেও মধ্যপ্রাচ্য ইউরোপ ও আমেরিকা তুলনায় মালদ্বীপের স্থানীয়রা তুলনামূলকভাবে শান্তিপ্রিয় সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলছেন। এবং তারা অনেকাংশেই সফল,তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান মালদ্বীপ বিশ্বের অন্যতম ব্যয় বহুল পর্যটক কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের কারনে লোকডাউনে সংকটে পড়েছে দেশটির অর্থনৈতি, এতে দেশটিতে কর্মরত
বাংলাদেশিরা সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছে।

চাকরি হারিয়ে অবৈধ বেশির ভাগেরিই দুই বেলা খাওয়া মতো অর্থ নেই। এর উপর রয়েছে দেশটির চাপ। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত হোন নি।

দেশটিতে অবৈধ পথে প্রবেশ করা বাংলাদেশিরা সম্পূন্ন বেকার হাতে খাবার কেনার মতোও অর্থ নেই।
তাই তাদের অন্তত দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা করতে চেষ্টা করছেন বাংলাদেশ সরকার।

খাদ্য সকংটে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য মালদ্বীপের মালের একটি রেস্টুডেন্টে দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতি।

এ অবস্থায় করোনা মোকাবেলায় মালদ্বীপে খাদ্য,ঔষুধ,জীবানুনাষক ও সুরক্ষা সরঞ্জাম পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ,তবে এই খাদ্য সামগ্রীর একটি নির্দ্রিষ্ট অংশ চাইলেই মালদ্বীপ সরকার তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবে।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে দয়া করে আমাদের জানান আমরা চেষ্টা করবো আপনার অভিযোগটির উত্তর দিতে।

ধন্যবাদ...