Ads

Breaking

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০

আগস্ট ১৩, ২০২০

বৃহত্তর রামগতির নদী বাঁধের অগ্রগতির সুখবর দিলেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির যুব ও ক্রিড়া সহ সম্পাদক আবদুজ্জাহের সাজু

 





আবদুর জাহের সাজুঃ প্রিয় রামগতি ও কমলনগর বাসি নদী  বাঁধের কাজের ব্যাপারে অামাদের এমপি মহোদয়  গতকাল  ০৬/০৭/২০২০
 অামাকে দায়িত্ব দিয়েছে অামি সেইটা  অাগারগাঁ পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়র গিয়ে মোটামুটি কাজ এগিয়ে  নিয়েছি  অাগামি দুই মাসের মধ্যে একনেকে পাশ করাব অাপনারা সকলে দোয়া করেন এমপি সাহেবের জন্য এখন থেকে সবসময়  এই ফাইলের পিছনে  অামি লেগে অাছি যেন তাড়াতাড়ি পাশ করতে পারি । অাশা করি জানুয়ারি মাস থেকে কাজ শুরু করা যাই ।অার দুই  উপজেলা মোট
৩৫০০ কোটি টাকা পাশ হবে অাপনারা অাল্লাহর কাছে দোয়া করেন ।অাজ  ০৮/০৭/২০২০ তারিখে অামি পুনরায় পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ে গিয়েছি খুব তাড়াতাড়ি যেন একনেকে পাশ করতে পারি সেই  ব্যবস্থা অফিসার কে দিয়ে ফ্রাইল উঠানোর জন্য কম্পিউটারে কাজ করতেছে অামি নিজে অনেকক্ষণ  দাড়িয়ে ছিলাম  অনেক পাতা ভাই  একটু সময় দিতে হবে ।অাল্লাহর নাম নিয়ে হয়ে যাবে।
আগস্ট ১৩, ২০২০

বাতিল হচ্ছে এবছরের পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা! পাশাপাশি মাদ্রাসা বোর্ডের ইইসি ও জেডিসি পরীক্ষা ও বাতিল হচ্ছে!


মহামারি করোনাভাইরাস স্থিতিশীল না হওয়ার কারণে এই দুই পরীক্ষা বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।  এ নিয়ে গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসের উপস্থিতিতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একটি বৈঠক এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর ভিত্তিতে উভয় মন্ত্রণালয়ে পৃথক দুটি সারসংক্ষেপ তৈরি হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে এটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হতে পারে। দুই মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।


এক সূত্রে জানা যায়, সমাপনী পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলেও এই দুই স্তরের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হবে। এই ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে মেধাবৃত্তি দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষাবর্ষ দীর্ঘ না করে বছরের মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের শ্রেণিভিত্তিক লেখাপড়া শেষ করার চিন্তাভাবনা চলছে। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব হয় তাহলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হবে।


আর যদি ডিসেম্বরের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে ‘অটো-পাস’ দিয়ে তুলে দেয়া হবে। এই উভয় ক্ষেত্রেই পাঠ্যবই বা সিলেবাসের যে অংশটুকু পড়ানো সম্ভব হবে না তার অত্যাবশ্যকীয় পাঠ পরের শ্রেণিতে দেয়া হবে। এজন্য জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ‘কারিকুলাম ম্যাপিং’ করে দেবে। এ লক্ষ্যেই কাল বুধবার এনসিটিবিতে কারিকুলাম বিশেষজ্ঞদের বৈঠক শুরু হচ্ছে। এছাড়া কয়েকদিন ধরে এ নিয়ে ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিতে (নেপ) বিশেষজ্ঞদের বৈঠক চলছে।


সূত্র : যুগান্তর

আগস্ট ১৩, ২০২০

রামগতিতে দেখা মিলেছে ভয়ংকর রাসেল ভাইপার সাপের সন্ধান ।

 


লক্ষ্মীপুরের রামগতির মধ্য চর গোসাই গ্রামে ভয়ংকর  রাসেল ভাইপার সাপের সন্ধান মিলেছে। 

বিগত ২০ বছরে এই সাপটি বাংলাদেশে তেমন দেখা যায় নি অর্থাৎ এটি বিলুপ্তপ্রায়।কিন্তু ভারতের পানির সাথে এটি দেশে ডুকার আশঙ্কা ছিলো।সাপটি বিশ্বের ৪র্থ বিষাক্ত সাপ হিসেবে সুপরিচিত। 

ইদানীং ফেইসবুকে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সতর্ক করা হয়েছে রাসের ভাইপারের ব্যাপারে। উত্তর অঞ্চলে বন্যার পানি মেঘনায় নামার সাথে সাথে ভারত থেকে আশা এই সাপ গুলো উপকূলীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে যাওয়ায় আশঙ্কা করা হয়েছিলো।সাম্প্রতি মেঘনার জোয়ারের সাথে সাপটি মধ্য চর গোসাই দিদারের বাড়ির সামনে দেখে এলাকাবাসী সাপটিকে মেরে ফেলে।।এর আগে রাজশাহী,চাঁদপুর এবং চট্রগ্রামের গুলিয়াখালীতে ভাইপার দেখার তথ্য পাওয়া গেছে।

রাসেল ভাইপারের কামড় খেয়ে আজ পর্যন্ত কেউ বাঁচতে পারে নি।তাই এই মুহূর্তে সাপের কামড় থেকে বাঁচতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকাই মূখ্য। 


উল্লেখ্য যে আমাদের দেশের শঙ্খিনী সাপের প্রধান খাদ্য রাসের ভাইপার।কিন্তু বিভিন্ন গুজবে অনেক টাকার লোভে অনেকে সাপ ধরে ভারতে পাচার করেছে এবং বিক্রি করেছে।।তাছাড়া মেরেও ফেলেছে এই উপকারী সাপটি। এই মূহুর্তে শঙ্খিনী সাপ না মারার অনুরোধ রইলো সবার নিকট।।


তথ্যসূত্রঃ মোঃ নোমান উদ্দিন

সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০

আগস্ট ১০, ২০২০

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর জন্মদিন উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ করেন উদিয়মান জনপ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা রামগতি উপজেলা ছাত্রলীগের আগামীর কান্ডারি মুসফিক মাহমুদ মৃদুল ।




বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর জন্মদিন উপলক্ষে উদিয়মান জনপ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা রামগতি উপজেলা ছাত্রলীগের আগামীর কান্ডারি মুসফিক মাহমুদ মৃদুল এর উদ্যোগে স্থানিয় ছাত্রলীগের কর্মীদের নিয়ে ডা:তোহফায়ি আইউব মহিলা কলেজ মাঠের চার পাশে এবং এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বৃক্ষরোপণ করা হয়।

রবিবার, ৩১ মে, ২০২০

মে ৩১, ২০২০

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না এ গতকাল শিক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত করেছেন।



একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম ২০২০! (সর্বশেষ আপডেট)

 করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না এ গতকাল শিক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত করেছেন। তিনি বলেছেন, '"করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই কলেজ ভর্তি " । এ থেকে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে যে, আগামী ৬ জুন থেকে কলেজ ভর্তি ২০২০ নিয়ে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে শিক্ষা বোর্ডগুলো যে প্রস্তাবনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে তা মূলত গৃহীত হচ্ছে না। ফলে কলেজ ভর্তি ২০২০ এর কার্যক্রম নিয়ে নতুন তারিখ শিক্ষা মন্ত্রনালয় জানাবে তা স্পষ্ট।
.
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন-আর-রশিদ জানান, 'সার্বিক পরিস্থিতিতে ভর্তি প্রক্রিয়া এখনই শুরু করা যাচ্ছে না। সেপ্টেম্বরের দিকে যেহেতু একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর চিন্তা, তাই এখনই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করাটা রিস্ক হয়ে যায়।' - এ থেকে বুঝা যাচ্ছে মোটামুটি বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিবে শিক্ষা বোর্ডগুলো 'কলেজ ভর্তি ২০২০' নিয়ে!
.
অনলাইনে কলেজ ভর্তি আবেদন করতে এই করোনা পরিস্থিতির মাঝে ছাত্রছাত্রীদের সাইবার ক্যাফেতে ও কলেজগুলোতে যেতে হবে যা অনেক বড় ঝুঁকি তাদের জন্য; উপরন্তু প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার অভিভাবক বোর্ডেই আসেন সন্তান আবেদন করতে পারেনি বা আবেদন করার সময় ভুল হয়েছে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকে যা জানিয়েছে অধ্যাপক হারুন-আর-রশিদ। এর কারণে কলেজ ভর্তি প্রক্রিয়া ২০২০ শুরু করে দিলে সামাজিক দূরত্ব মানা সম্ভব হবে না। তাই এই সব বিবেচনা করেও এই মুহূর্তে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে চাচ্ছে না শিক্ষা বোর্ডগুলো।
.
সুতরাং, সব বিবেচনায় নিয়ে বুঝা যাচ্ছে বেশ ভালো রকমে হয়ত পিছিয়ে দেওয়া হবে কলেজ ভর্তি কার্যক্রম ২০২০! এখানে বুঝা যাচ্ছে সেপ্টেম্বরের দিকেই যেহেতু যতদূর একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে (এই ব্যাপারটা অনেকটা স্পষ্ট - করোনা পরিস্থিত বিবেচনায়) সেহেতু কলেজ ভর্তি ২০২০ এত দ্রুত শুরু হচ্ছে না।  
.
পুরো কলেজ ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগে ৫০-৫৫ দিন। আর এখন মাত্র জুন মাস চলছে! ফলে সেপ্টেম্বরে যদি ক্লাস শুরু হয় তবে এখন ৯০ দিন আগে কলেজ ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করে দেওয়া করোনা পরিস্থিতির এই পর্যায়ে আসলেই যে তাড়াতাড়ি হয়ে যায় তা হয়ত বিবেচনায় রাখা হয়েছে। যাই হোক, যেহেতু বোর্ডগুলো ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করতে পুরো প্রস্তুত সেহেতু পরিস্থিতির উন্নতি হলেই যে সব প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে তা তোমরা বুঝতে পারছো।

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০

মে ২৮, ২০২০

লিবিয়ায় একজন স্থানীয় মানব পাচারকারী নিহতের জেরে ২৬ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করা হয়েছে ।



লিবিয়ায় একজন স্থানীয় মানব পাচারকারী নিহতের জেরে ২৬ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করা হয়েছে ।

লিবিয়ায় অবৈধ উপায়ে যাওয়া একদল বিদেশী নাগরিকদের টাকার জন্য আটকে রেখেছিল স্থানীয় মানব পাচারকারী । যার মধ্যে অর্ধশতাধিক বাংলাদেশী নাগরিকও বন্দী ছিলেন । এক পর্যায়ে মানব পাচারকারীদের সাথে ঝগড়া-হাতাহাতির কারণে স্থানীয় এক মানবপাচারকারী নিহত হয় । লিবিয়ান ওই মানব পাচারকারী নিহতের প্রতিশোধে আটকে থাকা বাংলাদেশী নাগরিকদের অমানবিকভাবে হত্যা করে লিবিয়ান মানব পাচারকারী গোষ্ঠীটি । এ ঘটনায় ২৬ মতান্তরে ৩০ জন বাংলাদেশী নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে । আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে ।।
মে ২৮, ২০২০

চীন ভারত উত্তেজনায় ভারতকে সাহায্য করবে না বাংলাদেশ, দুদেশের উত্তেজনায় লাভ বাংলাদেশের।



লাদাখ সীমান্তে বাড়ছে উত্তেজনা। করোনা পরিস্থিতিতে ভারত অর্থনৈতিক দুরাবস্থায় ভুগছে। এরই মাঝে চীন-ভারত সীমান্ত ঘেষে সেনাবাহিনী মোতায়েন, ভারত বর্ডারের নিকটস্থ এয়ারবেসে নতুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন, গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং আগুনে ঘি ঢেলে দেবার মত,"নিজ দেশের সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন" চীনা প্রেসিডেন্ট মিস্টার শি জিং পিং।

ভারতের নিকট প্রতিবেশীদের মাঝে শুধুমাত্র বাংলাদেশের সাথেই "বন্ধুত্বপূর্ণ" সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু ভারতের জন্য দুর্ভাগ্য এত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সত্বেও বাংলাদেশী সামরিক বাহিনীর একটা বড় অংশ "চীনা সামরিক বাহিনীর অনুকরনে নির্মিত"..এয়ারক্রাফট, ট্যাংক, রাডার, নেভাল ভেসেল, ফ্রিগেট সব কিছুতেই রয়েছে চীনের একক আধিপত্য।

ইতিমধ্যে পাকিস্তান,নেপাল,শ্রীলংকার মত দেশ "চীনকে" ভারতের বিরুদ্ধে ট্রাম্প কার্ড হিসেবে ব্যবহার করছে। ভারত নিজেও তার ঘাড়ের উপর চীনের শ্বাস নেয়া অনুভব করছে। একই ভাবে করোনা সংকটে ভুগতে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন কে "এশিয়ার রাজা কে!!" বোঝাবার জন্যই মুলত "ভারতকে" চীন একটি টেস্টকেস হিসেবে ব্যবহার করছে। যদিও ভার‍ত ঘোষনা দিয়েছে তারাও সেনা মোতায়েন করছে। তবে তাদের শক্তিশালী সেনাবাহিনীকে চীনাদের "Please Go Home" সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে ধরে অনুরোধ করতেও দেখা গিয়েছে।অর্থাৎ, তারা (ভারত) ধরেই নিয়েছে তারা ভিক্টিম এবং মনস্তাত্বিকভাবে তাদের Morale আপাতত নিচের দিকেই।

আমেরিকা তথা ট্রাম্প প্রশাসন সবকিছু অবজার্ভ করলেও প্রত্যক্ষবাদে রাশিয়া,আমেরিকা কিংবা ইউরোপীয় ইউনিয়ন শুধুমাত্র বিবৃতি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে। জাতিসংঘে টুকটাক কথা হলেও চীন-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা আরো বাড়বে। অর্থাৎ, ভারত নিজেও জানে,চীনের বিরুদ্ধে দিনশেষে ভারত একাই "গিনিপিগে" রুপান্তরিত হয়েছে। অনেক এনালিস্ট এখনো বুঝে উঠতে পারছেন না,চীন নিজেও করোনা পরিস্থিতির মাঝে এমন কেন করছে। Peoples Liberation Army মুলত কোন ঘটনার ব্রিফ রিপোর্ট প্রদান করেনা। অর্থাৎ, কোন ঘটনার পর কি ঘটবে তার কোন ইনফরমেশন শুধু PLAAN ব্যতিত কারো হাতেই নেই। চীন কি তাহলে চীন থেকেই ছড়ানো কোভিড-১৯ নিয়ে সবার মনযোগ সরিয়ে ফেলতে চায়। এরই মাঝে জাপান,কোরিয়া,ফিলিপাইন,ইন্দোনেশিয়া,ভিয়েতনাম,মালেয়শিয়া সহ অন্যান্য দেশগুলোর সাথেও দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে বিরোধ রয়েছে চীনের।

অবশ্য ধারনা করা হচ্ছে, চীন নিজেও ভারত আক্রমণ করবেনা। কারন চীনের বড় একটি ইকোনমি ভারত।আর বিশ্ব সাম্রাজ্যে প্রভাব রাখার জন্য যুদ্ধের চাইতে অর্থ বেশী দরকারি তাও জানে তারা। তবে এতদিন ভারত যে দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভাবতো তার সত্যতা কতটা তাই চীন প্রমাণ করতে যাচ্ছে। ভারত নি:সন্দেহে তার নিকট প্রতিবেশীদের কাছে ডিপ্লোম্যাটিক চ্যানেলে সাপোর্ট চাইবে। তবে একথা অনস্বীকার্য যে বাংলাদেশ এ ব্যপারে কোন মন্তব্য প্রকাশ করবেনা। বরাবরের মতই চীন বাংলাদেশের স্ট্রাটেজিক পার্টনার এবং ভারত নিকটতম প্রতিবেশী। দ্বিধায় ভুগলেও বাংলাদেশের এমন পরিস্থিতিতে নীরব থাকা বলতে গেলে চীনের প্রতিই এক প্রকার মৌন সমর্থন।

মনে রাখতে হবে এশিয়া তথা দক্ষিণ এশিয়ায় আধিপত্য বজায় রাখতে bay of bengal ভুক্ত সব দেশেরই মৌন সম্মতি আদায় করতে হবে চীন এবং ভারতকে। তা সে যত ক্ষুদ্র দেশই হউক না কেন,বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান আজ ছোট নয়।পলিটিক্যালি বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান তুলে ধরছে। একই ভাবে, ভারতকে চীন কার্ড এবং চীনকে ভারত কার্ড দেখিয়ে উভয় পক্ষ থেকে যথাসম্ভব বিজনেস, সামরিক সক্ষমতা সহ অন্যান্য সেক্টরে বেনিফিট তুলতে পারাটাই হওয়া উচিত বাংলাদেশের একমাত্র লক্ষ্য। মনে রাখতে হবে, বিশ্ব দরবারের চিরায়ত ডিপ্লোম্যাসিতে কেউ কারো স্থায়ী বন্ধু না। রোহিঙ্গা সমস্যা সহ অন্যান্য ইস্যুতে চীন কিংবা ভারত কাউকেই পাশে পায়নি বাংলাদেশ। তাই এখানে বাংলাদেশের স্বার্থপর হওয়া অন্যায় কিছু না।

সে অবধি ভারত চীন কি করে একে মোকাবেলা করে তাই দেখার বিষয়।

মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২০

মে ২৬, ২০২০

কলেজ ভর্তি কার্যক্রম ২০২০ নিয়ে সর্বশেষ আপডেট! .


আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে যেন এসএসসি ফলাফল প্রকাশের (৩১ মে ফল প্রকাশ) ১ সপ্তাহ পর থেকে (৬-৭ জুন) অনলাইনে কলেজ ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা হয়।
.অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম ৫০ দিনের মাঝে শেষ করতে প্রস্তাব করা হয়েছে।
৩ ধাপে কলেজ ভর্তি আবেদন গ্রহণ করা হবে এবং ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
২৭ জুন পর্যন্ত প্রথম ধাপের আবেদন গ্রহণের কথা প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়।
প্রথম ধাপের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হতে পারে ৫ জুলাই।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২০

মে ২১, ২০২০

সাতক্ষীরার প্রতাপনগরের সুভদ্রাকাটি গ্রামে নদীতে মানব দেয়াল তৈরি করা হয়েছে বেড়ি বাঁধ রক্ষায়!


ছবিঃ সাতক্ষীরার প্রতাপনগরের সুভদ্রাকাটি গ্রামের


দুনিয়ার ইতিহাসে অন্যতম হৃদয়বিদারক এক দৃশ্যঃ

সুপার সাইক্লোন আম্পানের ফলে সৃষ্ট ঢেউ ঠেকাতে নদীতে মানব দেয়াল তৈরি করা হয়েছে বেড়ি বাঁধ রক্ষায়!

মহাবিপদ সংকেতেও জীবন হাতের মুঠোয় নিয়ে সাতক্ষীরার সুভদ্রাকাটি গ্রমবাসী সবাই এখন নদীতে । কপাতাক্ষের ঢেউ থেকে বাঁধ বাঁচাতে পিঠ পেতে লাইন ধরে দাঁড়িয়েছেন নারী পুরুষ, শিশু বৃদ্ধ সবাই। জীবন দিয়ে হলেও কয়েক আঙুল জেগে থাকা এই বাঁধ তাদের বাঁচাতেই হবে। 

ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন বাঁধের ওপরেও পানি ওঠানামা করছে। চোখের পলকে যে কোন সময় ঢুকে যাবে পানি। ভেসে যাবে হাজার হাজার হতদরিদ্রের মাথা গোঁজার ঠাই।

পুনশ্চঃ এতে বাঁধ শেষ পর্যন্ত রক্ষা হবে না আল্লাহ ভালো জানেন কিন্তু মানুষ এভাবেই তার সর্বশেষ বিন্দু দিয়েও টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যায়... 



শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০

মে ১৫, ২০২০

কমলাপুর রেলস্টেশনে লাল টি শার্ট পরা ছোট ছেলেটি আজ কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী |



কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ১৯৮৩/৮৪ সালে কমলাপুর রেলস্টেশনে। ছবিটিতে লাল টি শার্ট পরা ছোট ছেলেটি বর্তমান কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও তার বাম দিকের বিস্কিট কালারের স্যুট পরিহিত ভদ্রলোক ততকালীন প্রধানমন্ত্রী পেয়ারে ট্রুডো। 

১৯৭১ সালে যখন বাংলাদেশের বীর জনতা লড়াই করছে পশ্চিম পাকিস্তানি হানাদারদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে, তখন অনেক বিদেশী রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রপ্রধানই নানা ভাবে, নানা আঙ্গিকে এগিয়ে এসেছিলেন মুক্তিকামী বাংলাদেশের সাহায্যার্থে। তাদের মধ্যে বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য কানাডা ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডো।


পিয়েরে ট্রুডো হলেন কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর পিতা। তার পুরো নাম জোসেফ ফিলিপ পিয়েরে ইভস ইলিয়ট ট্রুডো। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্মলগ্নে নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে পিয়েরে ট্রুডো বাংলাদেশকে যেভাবে সাহায্য করেছিলেন, সে কথা ভোলেনি বাংলাদেশও। তাই তো মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর 'বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা' প্রদান করা হয়। 

২০১৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মন্ট্রিলে হায়াত রিজেন্সি হোটেলে কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও পিয়েরে ট্রুডোর পুত্র জাস্টিন ট্রুডোর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।