-------------------------------------------
১/দুধগরম অবস্থায় মন্হনী (ডাল সেদ্ধ করবার কাটা হলেও চলবে) দিয়ে একটু মন্হন করে নিয়ে খেলে হালকা হয়। এই ভাবে মন্হন করা হালকা দুধ মৈথুন শক্তি বাড়িয়ে দেয়, জ্বর সারিয়ে দেয়, বায়ু, পিত্ত আর কফ নাশ করে।
২/গরু বা ছাগলের টাটকা দুধের ফেনা (ঝাগ) খেলে অনেক সুফল পাওয়া যায়। এই ফেনা খুব উপকারী।অন্যান্য অনেকে উপকারিতার সঙ্গে এই ফেনারও আছে মৈথুনশক্তি বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা। পেটের অসুখ ও খিদে না হওয়া এবং পুরোনো জ্বরে উপকারি।
৩/জ্বাল দেওয়া গরুর দুধ খেলে হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়।
৪/গরুর দুধে ঘি, শুঁঠ(শুকনো আদা) কালো আঙুর মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে খেলে পুরোনো জ্বর (জিণজ্বর) সেরে যায়।
৫/গরুর দুধ গরম থাকলে মিশ্রি ও গোলমরিচের গুড়ো মিশিয়ে খেলে সদির উপশম হয়।
৬/একশো গ্রাম দুধে অধ চামচ শুঠের (শুকনো আদা)গুড়ো মিশিয়ে আঁচে বসিয়ে খোয়ার মতো খুব গাঢ় করে নিন। রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে এর সঙ্গে চিনি মিশিয়ে খেলে পিত্ত বিকার দূর হবে।
৭/গরম দুধে চিনি মিশিয়ে খেলে শরীর পুষ্ট হয়,বল ও বীর্য বৃদ্ধ হয়।
৮/অত্যাধিক পরিশ্রমের ক্লান্তি গরম দুধ খেলে যাবে।যারা বেশি পরিশ্রম করেন তাঁদের জন্যে গরম দুধ হল গরম ঔষুধ।
৯/দুধের খোয়ায় চিনি মিশিয়ে খেলে আধকপালে মাথা ব্যথা বা মাথা ধরা সারে।
১০/অল্প একটু গরুর দুধ নিয়ে, তাতে পাঁচ গুণ পানি মিশিয়ে জ্বাল দিন। যতক্ষণ পযন্ত না পানি শুকিয়ে যাচ্ছে আঁচে বসিয়ে রাখুন। এই দুধ ঠান্ডা করে খেলে রত্তপিত্ত সেরা যাবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে দয়া করে আমাদের জানান আমরা চেষ্টা করবো আপনার অভিযোগটির উত্তর দিতে।
ধন্যবাদ...