Ads

Breaking

স্বাস্থ্য বিষয়ক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্বাস্থ্য বিষয়ক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২০

এপ্রিল ২৯, ২০২০

করোনাভাইরাস টিপস: কোভিড-১৯ রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও সুরক্ষার উপায়।



করোনা এদেশে মহামারী আকারে ছড়াবে কিনা সেটা সম্পূর্ণ আমাদের উপর নির্ভর করছে। আপনি আমি সচেতন ও সতর্ক না হলে সরকার, ডাক্তার বা অন্যকোন দৈবশক্তি আমাদের বাঁচাতে পারবে না। অনেক হেলাফেলা করেছেন, এবার নিজেকে এবং প্রিয়জনকে নিরাপদ রাখতে অবশ্যই ঘরে থাকুন আর একটা নিয়মতান্ত্রিক রুটিনে চলে আসুন। 

অভিজ্ঞতার মূল্য সবচেয়ে বেশি। 'Covid 19' সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে  ফিরে আসা একজনের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা নিজেদের প্রস্তুত করতে পারি।

১. প্রতিদিন ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খাওয়া (যথাসম্ভব) 
২. ভিটামিন ই জাতীয় খাবার (ট্যাবলেট পাওয়া যায়)
৩. প্রতিদিন সকাল ১১ টার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রোদ পোহানো।
 ৪. কমপক্ষে একটি করে ডিম প্রতিদিন।
 ৫. প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা নির্বিঘ্ন ঘুম।
 ৬. প্রতিদিন কমপক্ষে ১.৫ লিটার পানি পান (ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলা) এবং প্রতি বেলায় গরম খাবার খাওয়া।
 
--হাসপাতালে কিন্তু এই কাজগুলোই করা হয়।

করোনা ভাইরাসের দেহের pH এর মান 5.5 থেকে 8.5। তাই এর চেয়ে বেশি  pH level এর খাবার গ্রহনের মাধ্যমে আমরা এর রাসায়নিক গঠন ভেঙ্গে দিতে পারি।

5.5 থেকে 8.5 এর থেকে বেশি  pH level এর কিছু খাবারঃ

লেবু - 9.9, পাতিলেবু - 8.2, এভোকাডো - 15.6, রসুন- 13.2, আম- 8.7, ছোট কমলা - 8.5, আনারস- 12.7, ডালিয়া ফুল - 22.7, কমলালেবু  - 9.2 pH

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হবার কিছু সাধারণ লক্ষণ, যেমন- গলা চুলকাবে, গলা শুকিয়ে আসবে, শুকনা কাশি হবে, তীব্র জ্বর, শ্বাস ছোট হয়ে আসবে, গন্ধ ও স্বাদের অনুভুতি চলে যাবে।

এ জাতীয় লক্ষণ দেখা দেয়ার সাথে সাথে গরম পানি ও লেবুর রস খেতে শুরু করুন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, হেফাজত করুন।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২০

এপ্রিল ২৮, ২০২০

নিউইয়র্কের হাসপাতালগুলি কোভিড -১৯ আক্রান্ত রোগীদের উপর ফ্যামোটিডিনের নামের ঔষুধ পরীক্ষাও শুরু হয়ে গিয়েছে।



নিউইয়র্কের হাসপাতালগুলি কোভিড -১৯ আক্রান্ত  রোগীদের উপর ফ্যামোটিডিনের নামের ঔষুধ পরীক্ষাও শুরু হয়ে গিয়েছে। ওষুধ দিচ্ছে এটি দেখার জন্য যে এটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে কিনা।

নিউইয়র্ক নর্থওয়েল হেলথের মেডিকেল রিসার্চ ফিনস্টেইন ইনস্টিটিউটসের সভাপতি ডাঃ কেভিন ট্রেসি বলেছেন, তৈরি ঔষুধটির পরীক্ষার প্রাথমিক ফলাফল আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বেরিয়ে আসতে পারে। 

এ পর্যন্ত  ১৮৭ জন রোগী ক্লিনিকাল পরীক্ষায় জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং নর্থওয়েল আরো ১,২০০ জন রোগীর উপর এই ঔষুধ পরিক্ষা করা হবে।

তিনি আশা করছেন ঔষুধটি রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবে, যদি এটি কার্যকর সফল হয় তবে
ঔষুধটিকে বিশ্ববাসীর স্বাস্থ্য ভালোর জন্যই ব্যবহার করা হবে ৷এই ঔষুধটি যাতে সবাই পায়, তার জন্য অত্যন্ত স্বস্তায় দেওয়া হবে৷

এদিকে,
"মেডিকেল রিসার্চ ফরেনস্টাইন ইনস্টিটিউটসের সভাপতি এমডি কেভিন ট্রেসি সিএনএনকে বলেছেন,,,,
চিকিৎসার ইতিহাসে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখানে একটি উদ্দেশ্যে তৈরি করা ওষুধের ফলে অন্য কোনও রোগে এর প্রভাব পড়তে পারে।

 তবে ফ্যামোটিডিনের ঔষুধটির উচ্চ মাত্রায় ব্যবহারে
শরীরি বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার হতে পারে। যেমন
 কিডনি ফাংশন হ্রাসযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই এটি চিকিৎসকের পরার্শম অনুযায়ী ব্যবহারে করতে হবে।




রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৭

আগস্ট ২৭, ২০১৭

স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ তোলার কয়েকটি মজর টিপস

স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ করে তোলার কয়েকটি মজর টিপস

আপনার ছোটবেলার বন্ধু বা চেনা পরিচিত লোকদের নাম মনে করতে পারছেন না।
এমন কি গত কালকে আপনি ডিনারে কি খেয়েছেন তাও মনে করতে পারছেন না। আসলে এমন করে ভুলে যাওয়াটা খুব স্বাভাবিক। 
বয়স যত বাড়ে তত দূবল হয়ে যায় আমাদের স্মৃতিশক্তি। এই ধোয়াটে হয়ে যাওয়া সৃতি শক্তি আরো সতেজ তাজা ও আরো তীক্ষ্ণ করুন।এ এমন কোনো কঠিন কাজ নয় বা কোনো ব্যয়াম বা থেরাপি নয়। শুধু কিছু টিপস ও কৌশল যানুন। আর আপনিও খুব বুদ্ধি মতি  হয়ে ওঠুন।

১)সুগন্ধি রোজমেরের তেল :২০০৩ সালে এক গবেষনায় দেখা যায় সুগন্ধ মানুষের সৃতি শক্তি কে প্রখর তীক্ষ্ণ করতে সাহায্য করে। ১৪৪  স্বেচ্ছাসেবকে ছোট একটা ঘরে অনেক গুলো কাজ করতে দেয়। কেউ গন্ধমুক্ত ঘরে কাজ করে।কেউ আবার রোজমিরের সুগদ্ধ ঘরে কাজ করেন। আবার কেউ ল্যাভেন্ডার তেলের সুগদ্ধ ঘরে কাজ করে। যারা রোজমিরের সুগদ্ধ ওয়ালা ঘরে কাজ করেন তাদের সৃতি শক্তি ভালো হতে দেখা যায়। আবার যারা ল্যাভেন্ডারের গন্ধের মাঝে মানুষের স্মৃতি ভালো হবার পরিবর্তে খারাপ হতে দেখা যায়।এর জন্য আপনি রোজমেরি এসেনশিয়াল তেলে তুলো ভিজিয়ে কব্জিতে ঘষে নিতে পারেন। এই সু গন্ধ আপনার সারা দিনের সৃতি শক্তিকে ভালো করে রাখতে সাহায্য করবে।এছাড়াও এই তুলো রেখে দিতে পারেন নিজের ব্যাগে। শুকনো রোজমেরিও ব্যাগের এক কোনায় রেখে দিতে পারেন।

২)মস্তিষ্কের খাবার কি? :
মস্তিষ্কভালো থাকলে সৃতি শক্তিও ভালো থাকে।  এই জন্য মস্তিষ্ক কিছু জরুলি বিষেশ খাবার রয়েছে।যেসব খাবারে অ্যান্টিঅক্সাইড বেশি যেমন ব্লুবেরি, আপেল, কলা, গাড় সবুজ সবজি, রসুন এবং গাজর এ জন্য দরকারি।এসব খেলে মস্তিষ্ক কোষের অকাল মৃত্যুা রোধ করা যায়।শুনে আশ্চর্য লাগবে যে চকলেট খেলে মস্তিষ্ক খুব উপকার হয়।

৩) মস্তিষ্কের ব্যায়াম  ও নিয়ম কানুম:  
 মস্তিষ্ক  ও শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এর মাঝে মাঝে ব্যায়ম লাগে। মস্তিষ্ক  ব্যায় অতো কঠিন কোনো কাজ নয়। বতমানকে আমরা বিভিন্ন  গেমস সাইটে মস্তিষ্ক, ব্যাময়ে অনেক গেম দেখতে  পাই আমরা ওই গেম গুলো খেলোও ব্যায়াম করতে পারি। এবং প্রতিদিন নিউজ পেপার পড়েও মস্তিষ্ককে আরো সতেজ ও ভালো করতে পারি।

৪) চুইং গাম:
গবেষণায় দেখা যায়, চুইং গাম চিবানোর ফলে স্মৃতি ভালো হয়। সম্ভবত চুইং গাম চিবানোর ফলে শরীর খাদ্য গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হতে থাকে এবং ইনসুলিন নিঃসরণ করে যার ফলে স্মৃতি শাণিত হয়। অথবা চিবানোর ফলে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাবার ফলে মস্তিষ্ক ভালোভাবে কাজ করে। কারণ যেটাই হোক, এতে মস্তিষ্কের উপকার বই অপকার হয় না।

৫) পরিমিত ঘুমের দরকার :

আমাদের পুরো দেহো ঘুমালো আমাদের মস্তিষ্ক  ঘুমায় না। কারন আমাদের সারাদিনের সৃতি গুলো এলোমেলো থাকে সেই সৃতি গুলোকে আমরা ঘুমালে মস্তিষ্ক  গুছিয়ে রাখে। আর যদি আমরা এক রাত না ঘুমায় তাহলে আমাদের মস্তিষ্ক  দূবল ও ব্যথ হয়ে পড়ে ফলে আমরা কিছু মনে করতে পারি না। এক রাত না ঘুমালে মস্তিষ্ক  আমাদের সৃতি গুলোকে গুছাতে পারে না। ফলে মস্তিষ্ক  প্রতি খারাপ হয়।

৬) শরীর রাখুন ফিট রাখুন সব সময়:
নিয়মিত ব্যায়াম শুধু  শরীরের পেশি বহু হয় না। তা আমাদের মস্তিষ্ক  জন্য ও ভালো। বয়সের সাথে যেমন শরীরের শক্তি দূবল হয়ে যায় তেমনি মস্তিষ্ক ও দূবল হয়ে পড়ে। তাই যারা নিয়মিত ব্যায়াম করে তাদের শরীর ও মস্তিষ্ক  উভয় দুটি সুস্থ সবল ও ভালো থাকে



শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৭

আগস্ট ২৬, ২০১৭

গরুর দুধের বহুবিদ ব্যবহার এর উপকার



গরুর দুধের বহুবিদ ব্যবহার
-------------------------------------------
১/দুধগরম অবস্থায় মন্হনী (ডাল সেদ্ধ করবার কাটা হলেও চলবে)  দিয়ে একটু মন্হন করে নিয়ে খেলে হালকা হয়। এই ভাবে মন্হন করা হালকা দুধ মৈথুন শক্তি বাড়িয়ে দেয়, জ্বর সারিয়ে দেয়, বায়ু, পিত্ত আর কফ নাশ করে।
২/গরু বা ছাগলের টাটকা দুধের ফেনা (ঝাগ) খেলে অনেক সুফল পাওয়া যায়। এই ফেনা খুব উপকারী।অন্যান্য অনেকে উপকারিতার সঙ্গে এই ফেনারও আছে মৈথুনশক্তি বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা। পেটের অসুখ ও খিদে না হওয়া এবং পুরোনো জ্বরে উপকারি।
৩/জ্বাল দেওয়া গরুর দুধ খেলে হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়।
৪/গরুর দুধে ঘি, শুঁঠ(শুকনো আদা) কালো আঙুর মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে খেলে পুরোনো জ্বর (জিণজ্বর) সেরে যায়।
৫/গরুর দুধ গরম থাকলে মিশ্রি ও গোলমরিচের গুড়ো মিশিয়ে খেলে সদির উপশম হয়।
৬/একশো গ্রাম দুধে অধ চামচ শুঠের (শুকনো আদা)গুড়ো মিশিয়ে আঁচে বসিয়ে খোয়ার মতো খুব গাঢ় করে নিন। রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে এর সঙ্গে চিনি মিশিয়ে খেলে পিত্ত বিকার দূর হবে।
৭/গরম দুধে চিনি মিশিয়ে খেলে শরীর পুষ্ট হয়,বল ও বীর্য বৃদ্ধ হয়।
৮/অত্যাধিক পরিশ্রমের ক্লান্তি গরম দুধ খেলে যাবে।যারা বেশি পরিশ্রম করেন তাঁদের জন্যে গরম দুধ হল গরম ঔষুধ।
৯/দুধের খোয়ায় চিনি  মিশিয়ে  খেলে আধকপালে মাথা ব্যথা বা মাথা ধরা সারে।
১০/অল্প একটু গরুর দুধ নিয়ে, তাতে  পাঁচ গুণ পানি মিশিয়ে জ্বাল দিন। যতক্ষণ পযন্ত না পানি শুকিয়ে যাচ্ছে আঁচে বসিয়ে রাখুন। এই দুধ ঠান্ডা করে খেলে  রত্তপিত্ত সেরা যাবে।

শুক্রবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৭

আগস্ট ২৫, ২০১৭

আপনার সন্দর মখের প্রতি আরোও যত্নশীল হোন এবং মখকে আরো লাভন করে তুলুন


সুন্দর, মসৃণ, উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ফেসওয়াস, স্ক্রার্ব যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন ক্লিনজিং, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিং। টোনার রুপচর্চার বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। এটি ত্বক পরিষ্কার করে ত্বক টানটান রাখতে সাহায্য করে। টোনার ত্বকের এই পিএইচ এর মাত্রা সঠিক করে। বাজারে নানা ধরণের টোনার কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু বাজারের টোনার ব্যবহারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ঘরে কিছু ফলের টোনার তৈরি করে নিতে পারেন। এই টোনারগুলো ত্বক পরিষ্কার করার পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে।
1. কমলার রসের টোনার
তিন চার টেবিল চামচ কমলার রস এবং লেবুর রস একসাথে মেশান। এর সাথে যেকোন এসেনশিয়াল অয়েল মেশাতে পারেন। এই মিশ্রণটি তুলোর বলে লাগিয়ে ত্বকে ব্যবহার করুন। কিংবা একটা স্প্রে বোতলে এই মিশ্রণটি ভরে ত্বকের উপর স্প্রে করুন। নিয়মিত এই টোনার ব্যবহার করুন।
2. আপেলের টোনার
একটি আপেলের অর্ধেকটা কুচি করে কেটে রস বের করে নিন। এতে মেশান ২ টেবিল চামচ মধু। এই মিশ্রণ মুখে লাগান এবং ১০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণটি ফ্রিজে রেখে ১ সপ্তাহ ব্যবহার করতে পারবেন।
3. শসা এবং টকদই
এক কাপ টকদইয়ের সাথে কিছু পরিমাণ শসার রস মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি মুখ এবং ঘাড়ে ভাল করে লাগান। এটি ৫-১০ মিনিট ত্বকে রাখুন। তারপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি তৈলাক্ত এবং স্বাভাবিক ত্বকের জন্য উপযোগী।
4. পেঁপে টোনার
৬-৭টি পেঁপের টুকরো চটকে নিন। এর সাথে দুই-তিন টেবিল চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মেশান। একটি তুলোর বলে এই মিশ্রণটি ত্বকে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে এটি দ্রুত ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে।
5. স্ট্রবেরী স্কিন টোনার
এক মুঠো স্ট্রবেরী পেস্ট করে নিন। এরসাথে চার-পাঁচ ফোঁটা গোলাপ জল মেশান। এই মিশ্রণটি ত্বকে টোনার হিসেবে ব্যবহার করুন। একটি এয়ার টাইট বোতলে রেখে সংরক্ষণ করতে পারেন।