Ads

Breaking

রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৭

স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ তোলার কয়েকটি মজর টিপস

স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ করে তোলার কয়েকটি মজর টিপস

আপনার ছোটবেলার বন্ধু বা চেনা পরিচিত লোকদের নাম মনে করতে পারছেন না।
এমন কি গত কালকে আপনি ডিনারে কি খেয়েছেন তাও মনে করতে পারছেন না। আসলে এমন করে ভুলে যাওয়াটা খুব স্বাভাবিক। 
বয়স যত বাড়ে তত দূবল হয়ে যায় আমাদের স্মৃতিশক্তি। এই ধোয়াটে হয়ে যাওয়া সৃতি শক্তি আরো সতেজ তাজা ও আরো তীক্ষ্ণ করুন।এ এমন কোনো কঠিন কাজ নয় বা কোনো ব্যয়াম বা থেরাপি নয়। শুধু কিছু টিপস ও কৌশল যানুন। আর আপনিও খুব বুদ্ধি মতি  হয়ে ওঠুন।

১)সুগন্ধি রোজমেরের তেল :২০০৩ সালে এক গবেষনায় দেখা যায় সুগন্ধ মানুষের সৃতি শক্তি কে প্রখর তীক্ষ্ণ করতে সাহায্য করে। ১৪৪  স্বেচ্ছাসেবকে ছোট একটা ঘরে অনেক গুলো কাজ করতে দেয়। কেউ গন্ধমুক্ত ঘরে কাজ করে।কেউ আবার রোজমিরের সুগদ্ধ ঘরে কাজ করেন। আবার কেউ ল্যাভেন্ডার তেলের সুগদ্ধ ঘরে কাজ করে। যারা রোজমিরের সুগদ্ধ ওয়ালা ঘরে কাজ করেন তাদের সৃতি শক্তি ভালো হতে দেখা যায়। আবার যারা ল্যাভেন্ডারের গন্ধের মাঝে মানুষের স্মৃতি ভালো হবার পরিবর্তে খারাপ হতে দেখা যায়।এর জন্য আপনি রোজমেরি এসেনশিয়াল তেলে তুলো ভিজিয়ে কব্জিতে ঘষে নিতে পারেন। এই সু গন্ধ আপনার সারা দিনের সৃতি শক্তিকে ভালো করে রাখতে সাহায্য করবে।এছাড়াও এই তুলো রেখে দিতে পারেন নিজের ব্যাগে। শুকনো রোজমেরিও ব্যাগের এক কোনায় রেখে দিতে পারেন।

২)মস্তিষ্কের খাবার কি? :
মস্তিষ্কভালো থাকলে সৃতি শক্তিও ভালো থাকে।  এই জন্য মস্তিষ্ক কিছু জরুলি বিষেশ খাবার রয়েছে।যেসব খাবারে অ্যান্টিঅক্সাইড বেশি যেমন ব্লুবেরি, আপেল, কলা, গাড় সবুজ সবজি, রসুন এবং গাজর এ জন্য দরকারি।এসব খেলে মস্তিষ্ক কোষের অকাল মৃত্যুা রোধ করা যায়।শুনে আশ্চর্য লাগবে যে চকলেট খেলে মস্তিষ্ক খুব উপকার হয়।

৩) মস্তিষ্কের ব্যায়াম  ও নিয়ম কানুম:  
 মস্তিষ্ক  ও শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এর মাঝে মাঝে ব্যায়ম লাগে। মস্তিষ্ক  ব্যায় অতো কঠিন কোনো কাজ নয়। বতমানকে আমরা বিভিন্ন  গেমস সাইটে মস্তিষ্ক, ব্যাময়ে অনেক গেম দেখতে  পাই আমরা ওই গেম গুলো খেলোও ব্যায়াম করতে পারি। এবং প্রতিদিন নিউজ পেপার পড়েও মস্তিষ্ককে আরো সতেজ ও ভালো করতে পারি।

৪) চুইং গাম:
গবেষণায় দেখা যায়, চুইং গাম চিবানোর ফলে স্মৃতি ভালো হয়। সম্ভবত চুইং গাম চিবানোর ফলে শরীর খাদ্য গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হতে থাকে এবং ইনসুলিন নিঃসরণ করে যার ফলে স্মৃতি শাণিত হয়। অথবা চিবানোর ফলে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাবার ফলে মস্তিষ্ক ভালোভাবে কাজ করে। কারণ যেটাই হোক, এতে মস্তিষ্কের উপকার বই অপকার হয় না।

৫) পরিমিত ঘুমের দরকার :

আমাদের পুরো দেহো ঘুমালো আমাদের মস্তিষ্ক  ঘুমায় না। কারন আমাদের সারাদিনের সৃতি গুলো এলোমেলো থাকে সেই সৃতি গুলোকে আমরা ঘুমালে মস্তিষ্ক  গুছিয়ে রাখে। আর যদি আমরা এক রাত না ঘুমায় তাহলে আমাদের মস্তিষ্ক  দূবল ও ব্যথ হয়ে পড়ে ফলে আমরা কিছু মনে করতে পারি না। এক রাত না ঘুমালে মস্তিষ্ক  আমাদের সৃতি গুলোকে গুছাতে পারে না। ফলে মস্তিষ্ক  প্রতি খারাপ হয়।

৬) শরীর রাখুন ফিট রাখুন সব সময়:
নিয়মিত ব্যায়াম শুধু  শরীরের পেশি বহু হয় না। তা আমাদের মস্তিষ্ক  জন্য ও ভালো। বয়সের সাথে যেমন শরীরের শক্তি দূবল হয়ে যায় তেমনি মস্তিষ্ক ও দূবল হয়ে পড়ে। তাই যারা নিয়মিত ব্যায়াম করে তাদের শরীর ও মস্তিষ্ক  উভয় দুটি সুস্থ সবল ও ভালো থাকে



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে দয়া করে আমাদের জানান আমরা চেষ্টা করবো আপনার অভিযোগটির উত্তর দিতে।

ধন্যবাদ...