Ads

Breaking

রবিবার, ৩১ মে, ২০২০

মে ৩১, ২০২০

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না এ গতকাল শিক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত করেছেন।



একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম ২০২০! (সর্বশেষ আপডেট)

 করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না এ গতকাল শিক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত করেছেন। তিনি বলেছেন, '"করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই কলেজ ভর্তি " । এ থেকে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে যে, আগামী ৬ জুন থেকে কলেজ ভর্তি ২০২০ নিয়ে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে শিক্ষা বোর্ডগুলো যে প্রস্তাবনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে তা মূলত গৃহীত হচ্ছে না। ফলে কলেজ ভর্তি ২০২০ এর কার্যক্রম নিয়ে নতুন তারিখ শিক্ষা মন্ত্রনালয় জানাবে তা স্পষ্ট।
.
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন-আর-রশিদ জানান, 'সার্বিক পরিস্থিতিতে ভর্তি প্রক্রিয়া এখনই শুরু করা যাচ্ছে না। সেপ্টেম্বরের দিকে যেহেতু একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর চিন্তা, তাই এখনই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করাটা রিস্ক হয়ে যায়।' - এ থেকে বুঝা যাচ্ছে মোটামুটি বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিবে শিক্ষা বোর্ডগুলো 'কলেজ ভর্তি ২০২০' নিয়ে!
.
অনলাইনে কলেজ ভর্তি আবেদন করতে এই করোনা পরিস্থিতির মাঝে ছাত্রছাত্রীদের সাইবার ক্যাফেতে ও কলেজগুলোতে যেতে হবে যা অনেক বড় ঝুঁকি তাদের জন্য; উপরন্তু প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার অভিভাবক বোর্ডেই আসেন সন্তান আবেদন করতে পারেনি বা আবেদন করার সময় ভুল হয়েছে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকে যা জানিয়েছে অধ্যাপক হারুন-আর-রশিদ। এর কারণে কলেজ ভর্তি প্রক্রিয়া ২০২০ শুরু করে দিলে সামাজিক দূরত্ব মানা সম্ভব হবে না। তাই এই সব বিবেচনা করেও এই মুহূর্তে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে চাচ্ছে না শিক্ষা বোর্ডগুলো।
.
সুতরাং, সব বিবেচনায় নিয়ে বুঝা যাচ্ছে বেশ ভালো রকমে হয়ত পিছিয়ে দেওয়া হবে কলেজ ভর্তি কার্যক্রম ২০২০! এখানে বুঝা যাচ্ছে সেপ্টেম্বরের দিকেই যেহেতু যতদূর একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে (এই ব্যাপারটা অনেকটা স্পষ্ট - করোনা পরিস্থিত বিবেচনায়) সেহেতু কলেজ ভর্তি ২০২০ এত দ্রুত শুরু হচ্ছে না।  
.
পুরো কলেজ ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগে ৫০-৫৫ দিন। আর এখন মাত্র জুন মাস চলছে! ফলে সেপ্টেম্বরে যদি ক্লাস শুরু হয় তবে এখন ৯০ দিন আগে কলেজ ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করে দেওয়া করোনা পরিস্থিতির এই পর্যায়ে আসলেই যে তাড়াতাড়ি হয়ে যায় তা হয়ত বিবেচনায় রাখা হয়েছে। যাই হোক, যেহেতু বোর্ডগুলো ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করতে পুরো প্রস্তুত সেহেতু পরিস্থিতির উন্নতি হলেই যে সব প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে তা তোমরা বুঝতে পারছো।

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০

মে ২৮, ২০২০

লিবিয়ায় একজন স্থানীয় মানব পাচারকারী নিহতের জেরে ২৬ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করা হয়েছে ।



লিবিয়ায় একজন স্থানীয় মানব পাচারকারী নিহতের জেরে ২৬ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করা হয়েছে ।

লিবিয়ায় অবৈধ উপায়ে যাওয়া একদল বিদেশী নাগরিকদের টাকার জন্য আটকে রেখেছিল স্থানীয় মানব পাচারকারী । যার মধ্যে অর্ধশতাধিক বাংলাদেশী নাগরিকও বন্দী ছিলেন । এক পর্যায়ে মানব পাচারকারীদের সাথে ঝগড়া-হাতাহাতির কারণে স্থানীয় এক মানবপাচারকারী নিহত হয় । লিবিয়ান ওই মানব পাচারকারী নিহতের প্রতিশোধে আটকে থাকা বাংলাদেশী নাগরিকদের অমানবিকভাবে হত্যা করে লিবিয়ান মানব পাচারকারী গোষ্ঠীটি । এ ঘটনায় ২৬ মতান্তরে ৩০ জন বাংলাদেশী নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে । আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে ।।
মে ২৮, ২০২০

চীন ভারত উত্তেজনায় ভারতকে সাহায্য করবে না বাংলাদেশ, দুদেশের উত্তেজনায় লাভ বাংলাদেশের।



লাদাখ সীমান্তে বাড়ছে উত্তেজনা। করোনা পরিস্থিতিতে ভারত অর্থনৈতিক দুরাবস্থায় ভুগছে। এরই মাঝে চীন-ভারত সীমান্ত ঘেষে সেনাবাহিনী মোতায়েন, ভারত বর্ডারের নিকটস্থ এয়ারবেসে নতুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন, গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং আগুনে ঘি ঢেলে দেবার মত,"নিজ দেশের সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন" চীনা প্রেসিডেন্ট মিস্টার শি জিং পিং।

ভারতের নিকট প্রতিবেশীদের মাঝে শুধুমাত্র বাংলাদেশের সাথেই "বন্ধুত্বপূর্ণ" সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু ভারতের জন্য দুর্ভাগ্য এত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সত্বেও বাংলাদেশী সামরিক বাহিনীর একটা বড় অংশ "চীনা সামরিক বাহিনীর অনুকরনে নির্মিত"..এয়ারক্রাফট, ট্যাংক, রাডার, নেভাল ভেসেল, ফ্রিগেট সব কিছুতেই রয়েছে চীনের একক আধিপত্য।

ইতিমধ্যে পাকিস্তান,নেপাল,শ্রীলংকার মত দেশ "চীনকে" ভারতের বিরুদ্ধে ট্রাম্প কার্ড হিসেবে ব্যবহার করছে। ভারত নিজেও তার ঘাড়ের উপর চীনের শ্বাস নেয়া অনুভব করছে। একই ভাবে করোনা সংকটে ভুগতে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন কে "এশিয়ার রাজা কে!!" বোঝাবার জন্যই মুলত "ভারতকে" চীন একটি টেস্টকেস হিসেবে ব্যবহার করছে। যদিও ভার‍ত ঘোষনা দিয়েছে তারাও সেনা মোতায়েন করছে। তবে তাদের শক্তিশালী সেনাবাহিনীকে চীনাদের "Please Go Home" সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে ধরে অনুরোধ করতেও দেখা গিয়েছে।অর্থাৎ, তারা (ভারত) ধরেই নিয়েছে তারা ভিক্টিম এবং মনস্তাত্বিকভাবে তাদের Morale আপাতত নিচের দিকেই।

আমেরিকা তথা ট্রাম্প প্রশাসন সবকিছু অবজার্ভ করলেও প্রত্যক্ষবাদে রাশিয়া,আমেরিকা কিংবা ইউরোপীয় ইউনিয়ন শুধুমাত্র বিবৃতি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে। জাতিসংঘে টুকটাক কথা হলেও চীন-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা আরো বাড়বে। অর্থাৎ, ভারত নিজেও জানে,চীনের বিরুদ্ধে দিনশেষে ভারত একাই "গিনিপিগে" রুপান্তরিত হয়েছে। অনেক এনালিস্ট এখনো বুঝে উঠতে পারছেন না,চীন নিজেও করোনা পরিস্থিতির মাঝে এমন কেন করছে। Peoples Liberation Army মুলত কোন ঘটনার ব্রিফ রিপোর্ট প্রদান করেনা। অর্থাৎ, কোন ঘটনার পর কি ঘটবে তার কোন ইনফরমেশন শুধু PLAAN ব্যতিত কারো হাতেই নেই। চীন কি তাহলে চীন থেকেই ছড়ানো কোভিড-১৯ নিয়ে সবার মনযোগ সরিয়ে ফেলতে চায়। এরই মাঝে জাপান,কোরিয়া,ফিলিপাইন,ইন্দোনেশিয়া,ভিয়েতনাম,মালেয়শিয়া সহ অন্যান্য দেশগুলোর সাথেও দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে বিরোধ রয়েছে চীনের।

অবশ্য ধারনা করা হচ্ছে, চীন নিজেও ভারত আক্রমণ করবেনা। কারন চীনের বড় একটি ইকোনমি ভারত।আর বিশ্ব সাম্রাজ্যে প্রভাব রাখার জন্য যুদ্ধের চাইতে অর্থ বেশী দরকারি তাও জানে তারা। তবে এতদিন ভারত যে দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভাবতো তার সত্যতা কতটা তাই চীন প্রমাণ করতে যাচ্ছে। ভারত নি:সন্দেহে তার নিকট প্রতিবেশীদের কাছে ডিপ্লোম্যাটিক চ্যানেলে সাপোর্ট চাইবে। তবে একথা অনস্বীকার্য যে বাংলাদেশ এ ব্যপারে কোন মন্তব্য প্রকাশ করবেনা। বরাবরের মতই চীন বাংলাদেশের স্ট্রাটেজিক পার্টনার এবং ভারত নিকটতম প্রতিবেশী। দ্বিধায় ভুগলেও বাংলাদেশের এমন পরিস্থিতিতে নীরব থাকা বলতে গেলে চীনের প্রতিই এক প্রকার মৌন সমর্থন।

মনে রাখতে হবে এশিয়া তথা দক্ষিণ এশিয়ায় আধিপত্য বজায় রাখতে bay of bengal ভুক্ত সব দেশেরই মৌন সম্মতি আদায় করতে হবে চীন এবং ভারতকে। তা সে যত ক্ষুদ্র দেশই হউক না কেন,বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান আজ ছোট নয়।পলিটিক্যালি বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান তুলে ধরছে। একই ভাবে, ভারতকে চীন কার্ড এবং চীনকে ভারত কার্ড দেখিয়ে উভয় পক্ষ থেকে যথাসম্ভব বিজনেস, সামরিক সক্ষমতা সহ অন্যান্য সেক্টরে বেনিফিট তুলতে পারাটাই হওয়া উচিত বাংলাদেশের একমাত্র লক্ষ্য। মনে রাখতে হবে, বিশ্ব দরবারের চিরায়ত ডিপ্লোম্যাসিতে কেউ কারো স্থায়ী বন্ধু না। রোহিঙ্গা সমস্যা সহ অন্যান্য ইস্যুতে চীন কিংবা ভারত কাউকেই পাশে পায়নি বাংলাদেশ। তাই এখানে বাংলাদেশের স্বার্থপর হওয়া অন্যায় কিছু না।

সে অবধি ভারত চীন কি করে একে মোকাবেলা করে তাই দেখার বিষয়।

মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২০

মে ২৬, ২০২০

কলেজ ভর্তি কার্যক্রম ২০২০ নিয়ে সর্বশেষ আপডেট! .


আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে যেন এসএসসি ফলাফল প্রকাশের (৩১ মে ফল প্রকাশ) ১ সপ্তাহ পর থেকে (৬-৭ জুন) অনলাইনে কলেজ ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা হয়।
.অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম ৫০ দিনের মাঝে শেষ করতে প্রস্তাব করা হয়েছে।
৩ ধাপে কলেজ ভর্তি আবেদন গ্রহণ করা হবে এবং ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
২৭ জুন পর্যন্ত প্রথম ধাপের আবেদন গ্রহণের কথা প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়।
প্রথম ধাপের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হতে পারে ৫ জুলাই।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২০

মে ২১, ২০২০

সাতক্ষীরার প্রতাপনগরের সুভদ্রাকাটি গ্রামে নদীতে মানব দেয়াল তৈরি করা হয়েছে বেড়ি বাঁধ রক্ষায়!


ছবিঃ সাতক্ষীরার প্রতাপনগরের সুভদ্রাকাটি গ্রামের


দুনিয়ার ইতিহাসে অন্যতম হৃদয়বিদারক এক দৃশ্যঃ

সুপার সাইক্লোন আম্পানের ফলে সৃষ্ট ঢেউ ঠেকাতে নদীতে মানব দেয়াল তৈরি করা হয়েছে বেড়ি বাঁধ রক্ষায়!

মহাবিপদ সংকেতেও জীবন হাতের মুঠোয় নিয়ে সাতক্ষীরার সুভদ্রাকাটি গ্রমবাসী সবাই এখন নদীতে । কপাতাক্ষের ঢেউ থেকে বাঁধ বাঁচাতে পিঠ পেতে লাইন ধরে দাঁড়িয়েছেন নারী পুরুষ, শিশু বৃদ্ধ সবাই। জীবন দিয়ে হলেও কয়েক আঙুল জেগে থাকা এই বাঁধ তাদের বাঁচাতেই হবে। 

ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন বাঁধের ওপরেও পানি ওঠানামা করছে। চোখের পলকে যে কোন সময় ঢুকে যাবে পানি। ভেসে যাবে হাজার হাজার হতদরিদ্রের মাথা গোঁজার ঠাই।

পুনশ্চঃ এতে বাঁধ শেষ পর্যন্ত রক্ষা হবে না আল্লাহ ভালো জানেন কিন্তু মানুষ এভাবেই তার সর্বশেষ বিন্দু দিয়েও টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যায়... 



শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০

মে ১৫, ২০২০

কমলাপুর রেলস্টেশনে লাল টি শার্ট পরা ছোট ছেলেটি আজ কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী |



কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ১৯৮৩/৮৪ সালে কমলাপুর রেলস্টেশনে। ছবিটিতে লাল টি শার্ট পরা ছোট ছেলেটি বর্তমান কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও তার বাম দিকের বিস্কিট কালারের স্যুট পরিহিত ভদ্রলোক ততকালীন প্রধানমন্ত্রী পেয়ারে ট্রুডো। 

১৯৭১ সালে যখন বাংলাদেশের বীর জনতা লড়াই করছে পশ্চিম পাকিস্তানি হানাদারদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে, তখন অনেক বিদেশী রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রপ্রধানই নানা ভাবে, নানা আঙ্গিকে এগিয়ে এসেছিলেন মুক্তিকামী বাংলাদেশের সাহায্যার্থে। তাদের মধ্যে বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য কানাডা ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডো।


পিয়েরে ট্রুডো হলেন কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর পিতা। তার পুরো নাম জোসেফ ফিলিপ পিয়েরে ইভস ইলিয়ট ট্রুডো। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্মলগ্নে নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে পিয়েরে ট্রুডো বাংলাদেশকে যেভাবে সাহায্য করেছিলেন, সে কথা ভোলেনি বাংলাদেশও। তাই তো মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর 'বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা' প্রদান করা হয়। 

২০১৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মন্ট্রিলে হায়াত রিজেন্সি হোটেলে কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও পিয়েরে ট্রুডোর পুত্র জাস্টিন ট্রুডোর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার, ৯ মে, ২০২০

মে ০৯, ২০২০

বাপ্পি চৌধুরী অভিনীত সামনে যে সিনেমাগুলো আসবে




বাপ্পি চৌধুরী অভিনীত সামনে যে সিনেমাগুলো আসবে:

 ""সিক্রেট এজেন্ট"" 
পরিচালক: সাফিউদ্দিন সাফি
অভিনয় করেছেন: বাপ্পি চৌধুরী, উষ্ণ হক, গাজী রাকায়েত, তাসকিন ও বাপ্পারাজ।।

গত ৬ ডিসেম্বর ছিল চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরীর জন্মদিন, আর সেই দিনে জন্মদিনের উপহার স্বরূপ সিক্রেট এজেন্ট এ চুক্তিবদ্ধ করান চিত্র পরিচালক সাফি।।

নির্মাতা বলেন সিক্রেট এজেন্ট হবে একটি আধুনিক ছবি। ছবিতে বাপ্পীকে নতুন লুকে হাজির করা হবে। গল্পে থাকবে থ্রিলার ও অ্যাকশন। বাপ্পীকে পুলিশের এজেন্ট হিসেবে দেখা যাবে।।


গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ঢাকা-নেত্রকোনা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একটানা শুটিং এর মাধ্যমে ক্যামেরা ক্লোজ করা হয়েছে। বর্তমানে সম্পাদনার টেবিলে আছে সিনেমাটি।।

পরিচালক সাফি সম্পর্কে বাপ্পি চৌধুরী বলেন, সাফি ভাই এর কাজ সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই, আর যেহেতু আমার জন্মদিনে এই কাজটি উপহার পেয়েছি, এটা আমার কাছে স্পেশাল। দর্শক থ্রিলার ও অ্যাকশন এর সুন্দর একটি আধুনিক ছবি পর্দায় দেখতে পাবেন।।

পক্ষান্তরে চিত্রনায়িকা উষ্ণ হক বলেন, বাপ্পি চৌধুরীর অনেক সিনেমা আমি দেখেছি, আমার প্রিয় অভিনেতাদের একজন, তার সাথে একসাথে কাজ করছি খুব ভালো লাগছে, আশা করি আমাদের এই জুটিকে দর্শক ভালোভাবে গ্রহণ করবে।।

খুব শীঘ্রই সিনেমাটি বড় পর্দায় অপেক্ষায় রইলাম।।।
মে ০৯, ২০২০

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন তেঁতুল গাছের অবস্থান খোকসা উপজেলার হিজলাবট গ্রামে।



খোকসার হিজলাবট গ্রামের শতবর্ষী লাল তেঁতুল গাছের।
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন তেঁতুল গাছের অবস্থান খোকসা উপজেলার হিজলাবট গ্রামে। গাছগুলি দেখলে অবাক হতে হয়, এগুলো তেঁতুল না বটগাছ, এত বড় তেঁতুলগাছ হয়? আকারে প্রায় পঁচিশফুট ব্যাসার্ধের হবে আর লম্বায় প্রায় চল্লিশ-পঞ্চাশ ফুট। জন্ম কবে তা কেউ বলতে পারেনা তবে স্থানীয়দের মতে, এখানে একটি নীলকুঠি আছে আর এই গাছটির বয়স এর সামসাময়িক বা এর থেকেও বেশি। এখানে তিনটি গাছ আছে তারমধ্যে একটি গাছের তেতুলের রঙ ভিতরে সাদার বদলে লাল।  এই লাল তেঁতুল আমাদের দেশে দুর্লভ। স্থানীয় বয়স্করা জানান যে তারা ছেলেবেলা থেকেই এই গাছগুলোকে একই রকমের দেখে আসছেন। তাঁদের মতে এই গাছগুলোর বয়স ২শত বা তারও বেশি হবে। ঝড়ে ভেঙ্গে গিয়ে বড় গাছটি এখন ছোট হয়ে গিয়েছে আগে আরও বেশি বড় ছিল। স্থানীয় সনাতন ধর্মালম্বিরা একে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করে অনেকেই এর পূজা করে। জানা যায় অনেকেই এই গাছের তেঁতুল মনোবাসনা পূরণ হবার জন্য খায়। আর এই গাছের ক্ষতি করলে নাকি তার অনিষ্ঠ হয় তাই কেউ এই গাছের ডাল কাটতেও ভয় পায়। আমি চেষ্টা করেছিলাম এই গাছের সায়ন বা চারা সংগ্রহ করার জন্য, কিন্তু বিফল হয়েছি।

কোথা থেকে এই তেতুল গাছ এসেছে তা জানার আগ্রহ থেকে কুষ্টিয়ার কাছাকাছি কোথায় এমন গাছ আছে কিনা তা সন্ধান শুরু করলাম। একটি তথ্য পাওয়া গেল যে, পশ্চিম বঙ্গের নদীয়া জেলার রানাঘাট এলাকায় একটি লাল তেতুল গাছ রয়েছে। স্থানীয়রা বলেন এর বয়স প্রায় ৫০০ বছর। এই গাছটির সাথে একজন মুসলিম পীরকে নিয়ে গল্প চালু আছে। সেই পীর নাকি এই তেতুল দিয়ে বিভিন্ন রকমের রোগের চিকিৎসা করতেন। ধারনা করা যায় নদীয়া থেকে সেই পীরের কোন মুরীদের মাধ্যমে খোকসায় লাল তেতুলের আগমন ঘটতে পারে।
এই লাল তেতুলের বানিজ্যিক সম্ভাবনা খুবই ভালো। কারণ খাদ্য ও ঔষধ শিল্পে এই লাল বায়ো কালারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।


বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২০

মে ০৭, ২০২০

মহাবিশ্ব কি আর এই মহাবিশ্বে কি কি আছে।



আজ আমরা মহাবিশ্ব কি আর এই মহাবিশ্বে কি কি আছে ইত্যাদি নিয়ে আলোচন করব। ২য় পর্বতে আমরা আরও বর্ণনা জানব।

আমারা রাতের আকাশে যে তাঁরা দেখি আজ থেকে হাজার হাজার বছর আগেও মানুষ সূর্য, তারা, উল্কা, ছায়াপথ, ধূমকেতু ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ করে তাদের সম্বন্ধে জানার চেষ্টা করতো । সেই সময় আজকের মত বিজ্ঞান এত উন্নত ছিলনা । ঘড়ি, ক্যালেন্ডার, কম্পাসও ছিলনা । চাঁদ ও সূর্যের চলাচল দেখে দিন, দিক, মাস, সময়, বছর গণনা করা হত । সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে মোটামুটি উপরের দিকে ১০০০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত যে শূন্যস্থান আছে তাকে আকাশ বলা হয় । পৃথিবী ছাড়িয়ে রাতের আকাশে তাকালে যতদূর দেখা যায় সেই বিশাল ফাঁকা শূন্যস্থান কে মহাকাশ বলে ।

 মহাবিশ্ব  মহাবিশ্ব সৃষ্টি নিয়ে অনেক মত পার্থক্য আছে । আধুনিক মত অনুসারে – মহাবিশ্বের সমস্ত পদার্থ একটি বালির কণার থেকেও ছোটো অবস্থায় ছিল । প্রায় ১৪০০ কোটি বছর আগে প্রচুর তাপ ও শক্তি নিয়ে এর প্রসারণ শুরু হয় । সেই সঙ্গে প্রচুর গ্যাসের মহাজাগতিক মেঘ ও ধূলিকণা তৈরি হয় । কোটি কোটি বছর ধরে  এই গ্যাস আর মেঘ থেকে তৈরি হয় গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, উল্কা, ধূমকেতু নীহারিকা ইত্যাদি । মহাকাশের পরিসীমা ঠিক কতদূর সেটা মানুষের ধারনার বাইরে ।

 মহাকাশে রয়েছে বিভিন্ন মহাজাগতিক বস্তু । এগুলি হল - গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, উল্কা, ধূমকেতু নীহারিকা ইত্যাদি । এখন আমরা এগুলি সম্বন্ধে কিছু কথা জেনে নেব ।


১) নক্ষত্র ও নক্ষত্রমণ্ডল – যে সব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো ও উত্তাপ আছে তাদের নক্ষত্র বলে । সূর্য নক্ষত্র আছে আমাদের থেকে ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে আছে । তারপর রয়েছে ৪১ লক্ষ কোটি কিলোমিটার দূরে নক্ষত্র প্রক্সি-মা সেন্তাউরি । জ্যোতির্বিজ্ঞানিরা মহাবিশ্বের বিভিন্ন নক্ষত্র ‘আলোকবর্ষ’ একক দিয়ে দূরত্ব পরিমাণ করেন । ১ সেকেন্ডে আলোর গতি প্রায় ৩০০,০০০ কিলোমিটার । এই হিসাবে আলো এক বছরে যত দূরত্ব অতিক্রম করে সেটাই হল আলোকবর্ষ ।মনেকরা হয় যে নক্ষত্র গুলি নীহারিকা থেকে সৃষ্টি হয়েছে । নক্ষত্রদের রং দেখে আমরা সেই নক্ষত্র কতটা উত্তপ্ত অনুমান করতে পারি । লাল রঙের নক্ষত্রের উষ্ণতা সবথেকে কম, মাঝারি হলুদ নক্ষত্রের উষ্ণতা একটু বেশি । নীল নক্ষত্রের উষ্ণতা আরও একটু বেশি । সাদা রঙের নক্ষত্রের উষ্ণতা সবথেকে বেশি । তাদের কাল্পনিক রেখা দিয়ে যোগ করলে বিভিন্ন আকৃতি গঠিত হয় । এদেরকে বলা হয় নক্ষত্রমণ্ডল ।

২) গ্রহ ও উপগ্রহ – যে সমস্ত জ্যোতিষ্কের নিজের আলো ও উত্তাপ নেই, যারা নক্ষত্রের আলোয় আলোকিত হয় তাদের গ্রহ বলে । আবার গ্রহদের চারিদিকে যারা ঘোরে তাদের উপগ্রহ বলে । উপগ্রহরা আলো নক্ষত্রদের কাছ থেকে পায় । সূর্যের চারিদিকে আবর্তন করে ৮ টি গ্রহ । এগুলি হল – বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, উরেনাস ও নেপচুন । চাঁদ হল পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ । চাঁদ তার আবর্তন ও পরিক্রমণ শেষ করে ২৭ দিন ৮ ঘণ্টায় । এছাড়াও অন্য গ্রহদের উপগ্রহ আছে। আগে প্লুটোকে গ্রহ হিসাবে ধরা হলেও
এখন তাকে বামন গ্রহের তালিকায় রাখা হয়।

মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২০

মে ০৫, ২০২০

ভালোবাসার ‘অপরাধে’ টানা ২৫ বছর রুমে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল ব্ল্যাঞ্চ মনিয়ের কে!



১৮৪৯ সালের ১লা মার্চ। ফরাসী এক ধনী ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেয় ফুটফুটে এক মেয়ে। মনিয়ের পরিবার তাদের পদবী অনুসারে মেয়ের নাম রাখে ব্ল্যাঞ্চ মনিয়ের। ম্যাডাম মনিয়েরের দানশীলতার জন্য এলাকায় বেশ নাম-ডাক ছিল মনিয়ের পরিবারের। এমনকি তার উদারতার জন্য সে একটি কম্যিউনিটি এওয়ার্ড পর্যন্ত পেয়েছিল স্বীকৃতিস্বরুপ। মেয়ে ব্ল্যাঞ্চ মনিয়ের ছাড়াও এক ছেলে ছিল তার। নাম- মারসেল মনিয়ের, পেশায় একজন স্বনামধন্য উকিল। এক ছেলে-এক মেয়ে নিয়ে সুখের পরিবার মনিয়েরদের।
.
ছোটবেলায় যত না সুন্দর ছিল ব্ল্যাঞ্চ, বড় হবার সাথে রুপ যেন সমানুপাতিক হারে বাড়তে থাকে তার। মেয়ের রুপ নিয়ে অহংকারের শেষ নেই মায়ের। মেয়ে তখন পূর্ন যুবতী। ২৫ বছর বয়স। মা তার পছন্দ করা অভিজাত পরিবারের এক পাত্রের সাথে বিয়ে ঠিক করলো ব্ল্যাঞ্চের। কিন্তু ততদিনে ব্ল্যাঞ্চ মন দিয়ে বসে আছে অন্য একজনকে। পেশায় সে সাধারণ একজন উকিল। পরিবারও সাদামাটা একদম।

ব্ল্যাঞ্চ তার পছন্দের মানুষটিকে মায়ের সামনে নিয়ে আসে। কিন্তু পারিবারিকভাবে অভিজাত ও স্বনামধন্য না হওয়ায় তার সাথে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায় মা। তার পছন্দ করা পাত্রকেই বিয়ে কর‍তে হবে ব্ল্যাঞ্চকে- এ কথা জানিয়ে দেয় সে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত মানতে রাজি না হলে ব্ল্যাঞ্চকে একটি ছোট রুমে আটকে রাখে তার মা। কড়াভাবে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়- সেদিনই এ ঘর থেকে মুক্তি পাবে ব্ল্যাঞ্চ, যেদিন তার মায়ের সিদ্ধান্ত মেনে নিবে সে। কিন্তু মায়ের মতো মেয়েও তার সিদ্ধান্তে অটল। বিয়ে যদি করতেই হয়, ভালোবাসার মানুষটিকেই করবে সে, অন্য কাউকে নয়!


বছরের পর বছর চলে যায়, ব্ল্যাঞ্চ তার সিদ্ধান্তে থাকে অনড়। মায়ের অহংকারী-জেদী মনও গলে না। ফলে মুক্তিও আর মেলে না। ১৮৮৫ সালে, ব্ল্যাঞ্চের ভালোবাসার মানুষটি মারা যাবার পরও তাকে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়! এদিকে ব্ল্যাঞ্চের মা আর ভাই সমাজে এমন ভান করে থাকে যে ব্ল্যাঞ্চকে হারিয়ে তারা শোকে কাতর! বাড়ির কাজের লোকেরা এই ব্যাপারে জানলেও কাউকে জানাতে ভয় পেত মনিয়েরদের সামাজিক প্রভাবের কারণে। এইভাবে কেটে যায় পঁচিশটি বছর!

অতঃপর, ২৫ বছর পর, ১৯০১ সালে, প্যারিসের এটর্নি জেনারেলের কাছে বেনামে একটি চিঠি পৌছে। কে বা কারা চিঠিটি পাঠিয়েছে, কখনোই তা জানা যায়নি। সেখানে লেখা থাকে- মনিয়ের পরিবার বহু বছর ধরে তাদের বাড়িতে আটকে রেখেছে এক ব্যক্তিকে। মনিয়ের পরিবারের সামাজিক অবস্থানের কথা চিন্তা করে প্রথমে না চাইলেও পরে তদন্ত চালাতে নির্দেশ দেন জেনারেল।

বাড়িতে তল্লাসি চালিয়ে কিছুই খুঁজে না পেয়ে যখন ফিরে যাবে সৈন্যরা, তখনই একজন সেনার নাকে আসে বোটকা এক পঁচা গন্ধ। সেই গন্ধ অনুসরণ করে চিলেকোঠায় পৌছালে সেখানে একটি অন্ধকার তালাবদ্ধ রুম দেখতে পায় তারা। রুমটিতে কেবলমাত্র একটি বন্ধ ছোট জানালা ছিল, তাও মোটা পর্দা দেওয়া। কিছুই দেখা যাচ্ছিলো না বাইরে থেকে। সন্দেহ হওয়ায় জানালার কাচ ভেঙে ফেলে এক সেনা। ভাঙা কাচের ভেতর দিয়ে তারা দেখতে পায় রুমের এক কোনায় শেকলাবদ্ধ এক নারী! তাকে দেখে সেনারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে দেখতে পায় বিভৎস এক দৃশ্য।
ছোট একটি বিছানায় পঁচা খাবার আর কোটি কোটি কীটের মধ্যে শুয়ে আছে মনিয়ের ব্ল্যাঞ্চ। এই ২৫ বছরে বাইরের আলো-বাতাস থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন ছিল সে। চেহারাও বিদঘুটে হয়ে গেছে। তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সে সময় তার ওজন ছিল মাত্র ২২ কেজি! কিন্তু বিগত ২৫বছরের ভয়াবহ স্মৃতি মাথা থেকে কিছুতেই মুছে ফেলতে পারেনি মনিয়ের ব্ল্যাঞ্চ। ফলে, গুরুতর মানসিক সমস্যা দেখা দেয় তার। তাকে ভর্তি করা হয় ফ্রান্সের এক সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে। ১৯১৩ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত, জীবনের বাকিটা সময় এখানেই কাটায় সে। ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করতে চাওয়ার ‘অপরাধে’ এই শাস্তি পেতে হলো তাকে।
.
আর ব্ল্যাঞ্চের মা আর তার ভাই-এর পরিণাম? ব্ল্যাঞ্চকে উদ্ধারের পর এরেস্ট করা হয় তার মা ও ভাইকে। মা অসুস্থ হয়ে গেলে জামিন পেয়ে বাসায় যায়। কিন্তু ততদিনে সবাই কাহিনী জেনে গেছে। ব্ল্যাঞ্চ উদ্ধার হওয়ার ১৫দিনের মাথায় বিক্ষুব্ধ জনতা ভিড় করে তাদের বাসার সামনে। আতঙ্কিত হয়ে হার্ট এটাক করে সেদিনই মারা যায় মিসেস মনিয়ের। অতিরিক্ত অহংকার আর ইগো এভাবেই শেষ করে দেয় একটি সাজানো গোছানো সংসারকে।