বৃহত্তর রামগতির নদী বাঁধের অগ্রগতির সুখবর দিলেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির যুব ও ক্রিড়া সহ সম্পাদক আবদুজ্জাহের সাজু
মহামারি করোনাভাইরাস স্থিতিশীল না হওয়ার কারণে এই দুই পরীক্ষা বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসের উপস্থিতিতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একটি বৈঠক এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর ভিত্তিতে উভয় মন্ত্রণালয়ে পৃথক দুটি সারসংক্ষেপ তৈরি হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে এটি অনুমোদনের জন্য পাঠানো হতে পারে। দুই মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এক সূত্রে জানা যায়, সমাপনী পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলেও এই দুই স্তরের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হবে। এই ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে মেধাবৃত্তি দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষাবর্ষ দীর্ঘ না করে বছরের মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের শ্রেণিভিত্তিক লেখাপড়া শেষ করার চিন্তাভাবনা চলছে। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব হয় তাহলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হবে।
আর যদি ডিসেম্বরের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে ‘অটো-পাস’ দিয়ে তুলে দেয়া হবে। এই উভয় ক্ষেত্রেই পাঠ্যবই বা সিলেবাসের যে অংশটুকু পড়ানো সম্ভব হবে না তার অত্যাবশ্যকীয় পাঠ পরের শ্রেণিতে দেয়া হবে। এজন্য জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ‘কারিকুলাম ম্যাপিং’ করে দেবে। এ লক্ষ্যেই কাল বুধবার এনসিটিবিতে কারিকুলাম বিশেষজ্ঞদের বৈঠক শুরু হচ্ছে। এছাড়া কয়েকদিন ধরে এ নিয়ে ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিতে (নেপ) বিশেষজ্ঞদের বৈঠক চলছে।
সূত্র : যুগান্তর
লক্ষ্মীপুরের রামগতির মধ্য চর গোসাই গ্রামে ভয়ংকর রাসেল ভাইপার সাপের সন্ধান মিলেছে।
বিগত ২০ বছরে এই সাপটি বাংলাদেশে তেমন দেখা যায় নি অর্থাৎ এটি বিলুপ্তপ্রায়।কিন্তু ভারতের পানির সাথে এটি দেশে ডুকার আশঙ্কা ছিলো।সাপটি বিশ্বের ৪র্থ বিষাক্ত সাপ হিসেবে সুপরিচিত।
ইদানীং ফেইসবুকে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সতর্ক করা হয়েছে রাসের ভাইপারের ব্যাপারে। উত্তর অঞ্চলে বন্যার পানি মেঘনায় নামার সাথে সাথে ভারত থেকে আশা এই সাপ গুলো উপকূলীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে যাওয়ায় আশঙ্কা করা হয়েছিলো।সাম্প্রতি মেঘনার জোয়ারের সাথে সাপটি মধ্য চর গোসাই দিদারের বাড়ির সামনে দেখে এলাকাবাসী সাপটিকে মেরে ফেলে।।এর আগে রাজশাহী,চাঁদপুর এবং চট্রগ্রামের গুলিয়াখালীতে ভাইপার দেখার তথ্য পাওয়া গেছে।
রাসেল ভাইপারের কামড় খেয়ে আজ পর্যন্ত কেউ বাঁচতে পারে নি।তাই এই মুহূর্তে সাপের কামড় থেকে বাঁচতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকাই মূখ্য।
উল্লেখ্য যে আমাদের দেশের শঙ্খিনী সাপের প্রধান খাদ্য রাসের ভাইপার।কিন্তু বিভিন্ন গুজবে অনেক টাকার লোভে অনেকে সাপ ধরে ভারতে পাচার করেছে এবং বিক্রি করেছে।।তাছাড়া মেরেও ফেলেছে এই উপকারী সাপটি। এই মূহুর্তে শঙ্খিনী সাপ না মারার অনুরোধ রইলো সবার নিকট।।
তথ্যসূত্রঃ মোঃ নোমান উদ্দিন
আবদুর জাহের সাজুঃ প্রিয় রামগতি ও কমলনগর বাসি নদী বাঁধের কাজের ব্যাপারে অামাদের এমপি মহোদয় গতকাল ০৬/০৭/২০২০ অামাকে দায়িত্ব দিয়েছে ...