Ads

Breaking

শনিবার, ২ মে, ২০২০

মে ০২, ২০২০

সোমালিয়ার মুসলমানদের দুর্ভিক্ষের আর্তনাদ।


ক্ষুধা আর ডায়রিয়ার কাছে পরাজিত হয়ে সোমালিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত ১১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।একে একে মৃত্যুর মিছিলে শামিল হয়েছেন তারা। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সোমালিয়ার অর্ধেক মানুষ দুর্ভিক্ষের শিকার হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। তীব্র খরার কারণে এর আগে ২০১৭ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি  দেশটিতে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করা হয়। দেশটিতে মারা যায় অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ। জানা যায় সোমালিয়ার বাইদু শহরসংলগ্ন গ্রামগুলোতে ক্ষুধা ও ডায়রিয়ার প্রকোপে লোকজন মারা যাচ্ছেন। সব রোগীদের চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে মেডিসিনও নেই। তীব্র খরায় ডায়রিয়া, কলেরা এবং হামের মতো রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিতে রয়েছেন ৫৫ লাখ মানুষ।
স্থানীয় একজন কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার কলেরা আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৭০ জনেরও বেশি মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিচ্ছন্ন পানির অভাবে কলেরা এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে লোকজনের প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা।
জাতিসংঘের ধারণা, পুরো মাত্রার একটি দুর্ভিক্ষের আশঙ্কায় থাকা সোমালিয়ায় ৫০ লাখ মানুষের সাহায্য প্রয়োজন। স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর কাছ থেকে খাদ্য সহায়তার আশায় অনেকে রাজধানী মোগাদিসুর দিকে ছুটছেন। খাবারের খোঁজে একটি ফিডিং সেন্টারে জড়ো হয়েছেন বাস্তুচ্যুত হওয়া সাত হাজারেরও বেশি মানুষ।
বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শিশুদের অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট। সংস্থাটির ফেমিন আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমস নেটওয়ার্ক বলছে, সোমালিয়ায় ভয়াবহ অপুষ্টিতে ভুগছে প্রায় তিন লাখ ৬৩ হাজার শিশু। এরমধ্যে মারাত্মক পর্যায়ে রয়েছে ৭১ হাজার। এই শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান দেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
সোমালিয়া সরকার বলছে, ব্যাপক ক্ষুধার কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সন্ত্রাসী তৎপরতার মতো ঘটনা ঘটছে। গত ফেব্রুয়ারিতে দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় চার দেশের জন্য ৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তা চেয়েছিলেন জাতিসংঘ মহাসচিব। এ দেশগুলোর মধ্যে সোমালিয়ার নাম ছিল। ওই তালিকায় থাকা বাকি দেশগুলো হচ্ছে নাইজেরিয়া, সাউথ সুদান ও ইয়েমেন।
মে ০২, ২০২০

হাসপাতালের বিল না দিতে পেরে সন্তানকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন মা,বাবা।


হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে না পেরে সন্তানকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন মা,বাবা। গতকাল শুক্রবার গাজীপুরের কোনাবাড়ি সেন্টাল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ সেই নবজাতককে উদ্ধার করে মা,বাবার কোলে ফিরিয়ে দেয়। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, গাজীপুরের এনায়েতপুর এলাকার বাসিন্দা শরিফ হোসেন তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী কেয়া খাতুনকে গত ২১ এপ্রিল কোনাবাড়ি সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করেন। অস্ত্রোপচারে ছেলেসন্তান হয়। প্রায় ১১ দিন হাসপাতালে ভর্তি রাখে কর্তৃপক্ষ। এতে তাদের মোট বিল আসে ৪২ হাজার টাকা। বিল দিতে না পারায় তাঁদের হাসপাতাল থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি। পরে বাধ্য হয়ে তাঁরা নবজাতক সন্তানকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। সন্তানকে হাসপাতালে রেখে গতকাল দুপুরের পর বাড়ি ফিরে যান এই দম্পতি। সন্তান বিক্রির খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর যায় পুলিশের কাছেও। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এসবি) শহিদুল ইসলাম বিষয়টি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে জানান। গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন ২৫ হাজার টাকা ফিরিয়ে দিয়ে নবজাতককে ফিরিয়ে আনেন। পরে শরিফ-কেয়ার কোলে সন্তানকে ফিরিয়ে দেন।
নবজাতকের বাবা মো. শরিফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তিনি স্ত্রী কেয়া খাতুনকে নিয়ে কাশিমপুর কারাগারের দক্ষিণ পাশে এনায়েতপুর এলাকায় ভাড়া থাকেন। তাঁরা পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। পুলিশ খবর পেয়ে তাঁদের সন্তানকে তাঁদের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে। সন্তানকে ফেরত পেয়ে তাঁরা খুশি। জানালেন, সন্তানের নাম রেখেছেন মো. রাব্বী।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, টাকার অভাবে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে পারছিলেন না ওই দম্পতি। পরে তাঁরা বাধ্য হয়ে সন্তানকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। সেই টাকা দিয়ে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করেন। যাদের কাছে নবজাতককে বিক্রি করা হয়েছিল, তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। নবজাতককে মা,বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ১ মে, ২০২০

মে ০১, ২০২০

ফোটনের ভর নেই কিন্তু ভরবেগ আছে, কীভাবে?


বিজ্ঞানচিন্তার দপ্তরে অনেক চিঠি আসে, একটা প্রশ্নের উত্তর চেয়ে। মেসেজ আসে বিজ্ঞানচিন্তা গ্রুপ কিংবা ফেসবুক পেজে, একই প্রশ্ন। একটুখানি ফিজিকস গ্রুপের দেয়ালে আছড়ে পড়ে প্রশ্নের ঢেউ- ফোটনের ভর নেই কিন্তু ভরবেগ আছে কেন?
এখানেই আসলে ভরশক্তির সমীকরণের কারিশমা। ধরা যাক, একটা ইলেকট্রন। এর গতি নির্দিষ্ট নয়। কিন্তু একেবারে থেমে থাকা ইলেকট্রনের দেখাও আপনি পাবেন না। তাই যেকোনো ছুটন্ত ইলেকট্রনের ভরবেগ আপনি পাবেন। আলোর তো আর নিশ্চল ভর নেই, তাহলে এর ভরবেগ আসে কোত্থেকে?
এখানেই আসলে আলোর বিচিত্র চরিত্রের খেলা। আলো এক ধরনের শক্তি, সে আমরা সেই প্রাইমারি স্কুল থেকে পড়ে আসছি। আবার শক্তির সঙ্গে ভরবেগের সম্পর্ক আছে।
বিস্তারিত ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে জানা দরকার, ভরবেগ নিয়ে বাংলা ভাষায় জটিলতা আছে। আমরা যেটাকে বাংলায় ‘ভরবেগ’ বলি, এই শব্দটা দেখলেই বোঝা যায়, ভর আর বেগ দুটোই যেন ডট গুননের নিয়মে পাশাপাশি বসে গেছে। কিন্তু ইংরেজি শব্দটা হলো মোমেন্টাম (momentum)। এখানে ভর অর্থাৎ ম্যাস (mass) কিংবা বেগ, ইংরেজিতে যাকে বলে ভেলোসিটি (Velocity)- এই দুইয়ের নামগন্ধই নেই এই ‘মোমেন্টাম’ শব্দটির মধ্যে। তাই বাংলা ভরবেগ শব্দটা দেখলে আমরা সরলীকরণ করে ফেলি, বস্তুর মোমেন্টাম থাকতে হলে ভর থাকতেই হবে। ঝামেলাটা তৈরি হয়েছে চিরায়ত গতিবিদ্যায় মোমেন্টামের যে সংজ্ঞা আছে সেখান থেকেই।
চিরায়ত গতিবিদ্যায় মোমেন্টামের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলা হয়েছে, বস্তুর ভর আর বেগকে গুন করে ফলাফল হিসেবে পদার্থবিদ্যার যে রাশিটি পাওয়া যাবে, তাকেই বলে মোমেন্টাম। সুতরাং বাংলা বৈজ্ঞানিক পরিভাষাবিদরা সেটা ‘ভরবেগ’ বানিয়ে ফেলছেন। চিরায়ত বলবিদ্যায় এটাতে সমস্যা থাকারও কথা নয়। সমস্যা হয় তখন, যখন খুদে কণিকাদের হিসাব এসে পড়ে। বিশেষ করে কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় মোমেন্টামের হিসাব মোটেও ভর আর বেগের গুনফল দিয়ে করলে চলে না। কারণ কণাদের ভর থাকতেও পারে নাও পারে। কিন্তু শক্তি আছে। আবার একই সঙ্গে কণা আর তরঙ্গ চরিত্রও রয়েছে এদের। সুতরাং মোমেন্টামের ভেতর কোয়ান্টামের ব্যাপার-স্যাপার না এলে হিসাব মিলবে কী করে?
আবার কণাদের ভর না থাকলেও তার অন্যবস্তুকে মোমেন্টাম অর্থাৎ ভরবেগ দিতে পারে, ঠিক যেমন গতিশীল এক বড় গাড়ি একটা সিএনজি অটোরিক্সাকে ধাক্কা দিয়ে সেটাকে গতিশীল করে দিতে পারে। অর্থাৎ থেমে থাকা একটা অটোরিক্সাকে যদি কোনো প্রাইভেট কার এসে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়, তাহলে অটোরিক্সাটি গাড়ির কাছ থেকে ভরবেগ লাভ করে এবং সামনের দিকে গতিশীল হয়। অন্যদিকে ধাক্কার ফলে প্রাইভেট কারটির গতি কিছুটা কমে যায়, সুতরাং ভরবেগও কমে যায়। আর গাড়ির ভরবেগ ততটুকুই কমবে, যতটুকু ভরবেগ সিএনজি অটোরিক্সাটি লাভ করবে। ঠিক একই ঘটনা ঘটে আলোকতড়িৎক্রিয়ার ক্ষেত্রেই।
আলোকতড়িৎক্রিয়া প্রথম পর্যবেক্ষণ করেণ ব্রিটিশ বিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জ, ১৮৮৭ সালে। একই বছর একই ব্যাপার লক্ষ্য করেন জার্মান বিজ্ঞানী ভিলহেম হলকওয়াস। এসময় বিশ্বজড়ে বিজ্ঞানীরা ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে ব্যস্ত। ক্যাথোড রশ্মি আসলে কণাদের স্রোত না আলোর রশ্মির প্রবাহ, তা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত গোটা দুনিয়ার বিজ্ঞানীরা। ক্যাথোড রশ্মির পরীক্ষাগুলো চলে বায়ুশূন্য ক্যাথোড টিউবের ভেতর। এই টিউবে যে ক্যাথোড দণ্ড ব্যবহৃত হয়, সেগুলো ধাতুরই তৈরি। হার্জ ক্যাথোড দণ্ডকে অতিবেগুনি রশ্মি দিয়ে আঘাত করেন। এর ফলে সেটা থেকে নির্গত হয় ক্যাথোড রশ্মি। হার্জের বিশ্বাস ছিল ক্যাথোড রশ্মিও এক ধরণের আলোর কণা, তাই ফটোতড়িৎ ক্রিয়ার মাহত্ম্য বোঝা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। পরে অবশ্য হলকওয়াসকেও ভাবিয়েছিল এই ঘটনা। তিনি আরও পরীক্ষা-নিরিক্ষা চালান। আরেকটু স্পষ্ট হয় ব্যাপারটা। কিন্তু, ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। হার্জ-হলকয়াকেরও দেড় দশক আগে একটু অন্যভাবে ব্যাপারটা পর্যবেক্ষণ করেন এক ব্রিটিশ তড়িৎপ্রকৌশলী উলাফবি স্মিথ। কিন্তু তিনি মাথামুণ্ডু কিছুই বোঝেননি। এরপর ১৮৯৯ সালে আলোকতড়িৎক্রিয়া নিয়ে ব্যাপকভাবে কাজ করেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জে জে টমসন। আসলে এই ঘটনা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়েই তিনি নিশ্চিত হন ক্যাথোড রশ্মি আসলে আলোক রশ্মি নয়, ইলেকট্রন কণার স্রোত। অর্থাৎ ইলেকট্রন কণাটাই টমসন আবিষ্কার করে বসেন ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে। কিন্তু কেন ক্যাথোড দণ্ডে আলো ফেললে সেখান থেকে ইলেকট্রন কণা নির্গত হবে, সে বিষয়টা নিশ্চিত হতে পারেননি টমসন। 
কাছাকাছি সময় এই ঘটনা নিয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণা করেন ফিলিপ লেনার্ড। কিন্তু ব্যাখ্যা মেলেনি। ব্যাপারটা ছিল এমন-- ধাতব ক্যাথোড পাত ওপর পাত থেকে ক্যাথোড রশ্মির আকারে আসলে ইলেকট্রন কণাই বেরিয়ে আসছে। সমস্যা আলোকে তখন সবাই তরঙ্গ মনে করত, নিউটনের কণা তত্ত্ব বাতিল করেছিলেন জার্মান বিজ্ঞানী হেনরিখ হাইগেনস শ দেড়েক বছর আগেই। যে জিনিস নিজে তরঙ্গ, তারপক্ষে কীভাবে সম্ভব একটা ধাতব পাত থেকে রীতিমত ভরযুক্ত একটা কণাকে মুক্ত করা?
পাঠক, এখন আবার আমাদের ফিরে যেতে হবে অটোরিক্সা আর প্রাইভেট কারের কাছে। ভাবুন তো একটা স্থির অটোরিক্সার ওরর লক্ষ-কোটি ওয়াটের এক টর্চের আলো ফেলে সেটাকে নড়াতে পারবেন? আপাতদৃষ্টিতে সেটা সম্ভব নয়। কিন্তু আলোর বদলে যদি বাতাস প্রবাহিত করেন? খুব কম বাতাস হলে চলবে না। কিন্তু বাতাসের বেগ যদি খুব বেশি হয়, ধরা যাক সেটা বিশাল এক ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়ে এলো, তাহলে? শুধু অটোরিক্সা কেন, প্রাইভেট কারকেও উড়িয়ে নিতে পারে। তবে সেটা বাতাস বলেই সম্ভব। কারণ বাতাস বস্তু, ভর আছে, মোমেন্টাম আছে। কিন্তু তরঙ্গ? সেই যুগে তরঙ্গের শক্তির কথা জানত সবাই, কিন্তু তার যে মোমেন্টাম থাকতে পারে একথা ভাবার সাহসই ছিল না। কিন্তু একজন জার্মান, যিনি কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে দেখালেন দুঃসাহস। বললেন, বিকিরণ, যাকে আমরা শক্তি বলে জানি, সেই শক্তি নির্গত হয় গুচ্ছ গুচ্ছ আকারে। অর্থাৎ যাবতীয় বিকিরণ শক্তি যাকে আমরা এতদিন নিরবিচ্ছিন্ন শক্তি প্রবাহ বলে ভাবতাম, তা আসলে নিরবিচ্ছিন্ন প্রবাহ নয়। যাঁরা রাইচমিলে ধান ভাঙানো দেখেছেন, তাদের জন্য ব্যাপারটা বোঝা সহজ হবে। 
রাইচ মিলের হলার থেকে যখন প্রচণ্ডবেগে চাল বেরিয়ে আসে, তখন মনে হয় ঝর্নার ধারার মতো একটা চালের ধারা বেরিয়ে আসছে। এগুলো যে অসংখ্য চালের সমষ্টি, তখন তা বোঝা যায় না। মনে হয় ধূসর রঙের একটা নিরবিচ্ছিন্ন ধারা হলার থেকে নিচে নেমে আসছে। কিন্তু সেখন থেকে একমুঠো চাল হাতে নিয়ে দেখুন, প্রতিটা চাল তখন আলাদা করে চিনতে পারবেন। ঝর্নার পানির ক্ষেত্রেও একই ব্যপার। আপাত দৃষ্টিতে মনে হয়, ঝর্নার ধারা নিরবিচ্ছিন্ন। কিন্তু একথা তো সত্যি, এই পানির ধারাগুলো ট্রিলিয়ন-ট্রিলিয়ন পানির অণু দিয়ে তৈরি। কষ্টসাধ্য হলেও পানির ধারা থেকে পানির অণুগুলো আলাদা করা যায়।
প্ল্যাঙ্কও বললেন, পানির অণুর মতো কিংবা রাইচ মিলের প্রতিটা চালের মতো বিকিরণ বা আলোরও এমন খুদে কণা জাতীয় কিছু আছে। ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বললেন আক্ষরিক অর্থেই বললেন, আলোক রশ্মিগুলো রীতিমতো অসংখ্য কণা দিয়ে তৈরি। ২১ বছর পর ১৯২৬ সালে সেই কণার নাম দেওয়া হয় ফোটন। ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক বিকিরণ শক্তি তথা গুচ্ছের তত্ত্ব দিয়েছিলেন কৃষ্ণবস্তির বিকিরণ শক্তির সমাধান করার জন্য, আইনস্টাইন আলোর কণাতত্ত্ব ব্যাবহার করলেন আলোকতড়িৎক্রিয়ার ধর্ম ব্যাখ্যা করতে।
ওপরে যে প্রশ্নটার কথা বলেছিলাম, সেটাতে আবার ফিরে আসি, ভরহীন তরঙ্গের পক্ষে কি ধাতু থেকে ইলেকট্রন মুক্ত করা সম্ভব? আইনস্টাইন বললেন সম্ভব, কারণ আলো শুধু তরঙ্গই নয়, একই সঙ্গে কণাও। আলোর কণাদের যদি বস্তু কণার মতো যদি যথেষ্ট শক্তি থাকে, তাহলে সে ধাতব পাতকে আঘাত করে সেখান থেকে ইলেকট্রনকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে পারে। সেই মুক্ত ইলেকট্রন যেহেতু ধাতু থেকে ছুটে বেরিয়ে যায়, সুতরাং সে ভরবেগ লাভ করে। আর এই ভরবেগের জোগান দেয় আঘাতকারী আলোর কণা, যার পোশাকি নাম পরে হয়েছিল ফোটন। তাহলে নিশ্চয় ফোটনেরও মোমেন্টাম অর্থাৎ ভরবেগ আছে?
আইনস্টাইন বললেন,  আসলেই ভরবেগ আছে ফোটন কণাদের। 
সে বছরই আইনস্টাইন তাঁর বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেছিলে। সেখানে আবার বলেছিলেন, আলোর কণার ভর নেই। তাহলে কি স্ববিরোধী হয়ে গেল কথাটা?
না, কারণ আইনস্টাইন স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটির সাহায্যেই দেখিয়েছিলেন, ভর না থালকলেও কীভাবে আলোর কণাদের ভরবেগ বা মোমেন্টাম থাকে। সেটা আলোচনা করেই আমরা এই লেখার সমাপ্তি টানব। তার আগে আরেকটা বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার।
অনেকেই বলেন, ফোটনের নিশ্চল ভর শূন্য হলেও এর আপেক্ষিক ভর আছে। কারণ ফোটন গতিশীল কণা। আর গতিশীল কণাদের ভর বৃদ্ধি পায় সে কথা থিওরি অব রিলেটিভিটিতেই বলা হয়েছে। এই ধারণা কিন্তু ঠিক নয়। দুটো কারণে ঠিক নয়। প্রথম কারণ থিওরি অব রিলেটিভিটিতে ভর বৃদ্ধির যে সমীকরণ দেওয়া হয়েছে, সেখানে কিন্তু ভরশূন্য বস্তুর ভর বাড়বে এমন কথা বলা হয়নি। বরং যেসব বস্তুর খুব সামান্য হলেও ভর আছে, তাদের ক্ষেত্রেই ভর বাড়বে। প্রয়োজনে আপনি ভর বৃদ্ধির সমীকরণে ফোটনের ভর বসিয়ে দেখতে পারেন। এটা যদি করতে যান, তাহলে আপনার বস্তুর বেগের মানের জায়গায় ফোটনের বেগের মান (c) বসাতে হবে। আর তখন পুরো সমীকরণেই প্যাঁচ লেগে যাবে। সুতরাং ভর শূন্য থেকে বেড়ে যাবে, এ হিসাব আপনি কখনোই মিলাতে পারবেন না।
এবার আসা যাক দ্বিতীয় কারণে। আর এটাই সবচেয়ে বড় কারণ। আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের সমীকরণগুলো গড়েই উঠেছে আলোর বেগ পরম বা ধ্রুবক ধরে। স্থির বা গতিশীল কোনো কাঠামোতেই এর কোনো নড়চড় হবে না। তার মানে ফোটনের কোনো আপেক্ষিক বেগ থাকে না। আর আপেক্ষিক বেগ না থাকলে এর ভর বৃদ্ধিও সম্ভব নয়। সুতরাং গতির কারণে ফোটনের ভর বাড়ছে, তার কারণে ফোটন লাভ করছে ভরবেগ একথার কোনো যুক্তিই নেই।
তাহলে মোমেন্টামটা আসছে কোথা থেকে? এই সমস্যার সমাধানও দিয়েছিলেন আইনস্টাইন আপেক্ষিকতা থেকেই, ভরশক্তির সমীকরণের মাধ্যেম। আইনস্টাইন বলেছিলেন ফোটনের মোমেন্টাম আসে এর গতিশক্তি থেকে। ভরশক্তির সমীকরণ থেকেই পাওয়া যায় ভরকে শক্তিতে রূপান্তর মন্ত্র। আবার ভরযুক্ত বস্তুকে গতিশীল করতে পারলে বস্তটি ভরবেগ লাভ করে। তাহলে শক্তি আছে এমন যেকোনো বস্তুর পক্ষেই মোমেন্টাম বা ভরবেগ লাভ করা সম্ভব, যদি বস্তুটির গতি থাকে। ফোটনের তো চিরগতিশীল কণা, কখনো থামে না। তাহলে এই কণার গতিশক্তি থাকবে, তাই এর মোমেন্টামও থাকবে।
যার নিশ্চল ভর শূন্য তার ভরবেগ কীভাবে থাকে? ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করা যায়, আইনস্টাইনের ভরশক্তির সমীকরণ থেকে। চাইলে কোয়ান্টাম তত্ত্বও যোগ করা যেতে পারে। আসুন আমরা দেখে নিই ভরশক্তির সমীকরণ কী বলে?
আইনস্টিইনের ভরশক্তির সমীকরণের আরেকটি রূপ হলো,
E^2 = (pc)^2 + (m০c^2)^2 ………. (১)
এখানে E হলো বস্তুটির শক্তি, P হলো ভরবেগ, c আলোর বেগ এবং m০ বস্তুটির নিশ্চল অবস্থার ভর।
এখন এই সূত্র আমারা ফোটন কণার জন্যও প্রয়োগ করতে পারি। তাহলে ফোটনের নিশ্চল অবস্থার ভর m০= 0 হবে। ফোটনের জন্য ওপরের সমীকরণটি দাঁড়ায়-
E^2 = p^2c^2
বা, E = pc
p = E/c ………. (২)
এখানে ২ নং সমীকরণটিই হলো ফোটনের ভরবেগের সমীকরণ। অর্থাৎ ফোটনের শক্তিকে এর বেগ দিয়ে ভাগ করলেই মোমেন্টাম অর্থাৎ ভরবেগ পেয়ে যাব।
এখানে বিশেষ আপেক্ষিতা দিয়ে দেখানো হয়েছে ভরশূন্য ফোটনের ভরবেগ নির্ণয়ের সূত্রটি। তবে এখানে কিন্তু ফোটনকে কণা হিসেবেই দেখিয়েই ভরবেগ বের করা হয়েছে। কিন্তু ফোটন তো শুধু কণা নয়। একই সঙ্গে তরঙ্গও। তরঙ্গই যদি হয় এর ভরবেগ তাহলে কী হবে?
সেক্ষেত্রে আমাদের ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের সেই কোয়ান্টাম তত্ত্বের সমীকরণটিতেই ফিরে যেতে হবে। প্ল্যাঙ্কের সমীকরণ থেকে আমরা জানি, কোনো তরঙ্গ গুচ্ছের শক্তি,
E=hv
এখানে h হলো প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক, v (এটা গ্রিক বর্ণ নিউ ইংরেজি ভি নয় কিন্তু) হলো তরঙ্গের কম্পাঙ্ক। এখনা থেকে E এর মান ২ নং সমীকরণে বসিয়ে পাই-
p = hv/c...................(৩)
এই তিন নম্বর সমীকরণটিই দেখায়, একটা ভরহীন আলোক তরঙ্গের ভরবেগ কী হবে। অর্থাৎ ফোটনের কম্পাঙ্ককে প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবকের সঙ্গে গুন করলের যে গুনফল পাব, তাকে আলোর বেগ দিয়ে ভাগ করলেই পেয়ে যাব ফোটনের ভরবেগ। এর জন্য ফোটনের ভর থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। তাহলে, এখন নিশ্চতভাবেই বলতে পারেন, কেন ফোটনের ভর না থাকলেও কেন ভরবেগ আছে।

মে ০১, ২০২০

শীগ্রই খুলে দিচ্ছে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদুল নববী।


 মহামারী করোনা ভাইরাস প্রকট ঠেকাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সকল সিদ্ধান্ত সৌদির সরকার দেশটিতে বাস্তবিত করতে গত ২০ মার্চ থেকেই এই পবিত্র মসজিদের মুসল্লিদের প্রবেশ বন্ধ রয়েছে। এরপরও দেশটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা। করোনা ভাইরাস এ পর্যন্ত সৌদিতে আক্রান্ত হয়েছে  সাড়ে ২১ হাজার আর মারা গেছেন দেড় শতাধিক মানুষ‌। তবে রমজান মাসের শুরুতে এক বিশেষ নির্দেশনায় শুধু মাত্র পবিত্র নগরীর মক্কা মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদুল নববী আবন্তরিক যেসকল কর্মী ও কর্মকর্তা আছেন শুধু মাত্র তাদের নিয়ে সীমিত পরিসরে এই তারাবির নামাজ পড়া হয়েছিলো। তবে গত মঙ্গলবার পবিত্র মসজিদদ্বয় এর দায়িত্বে থাকা কমিটির প্রেসিডেন্সি সদস্য শেখ আব্দুল রহমান আল সুদাইস জানিয়েছেন, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষ্যে এই পবিত্র মসজিদ দুটি সকলের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০

এপ্রিল ৩০, ২০২০

কোরোনা পরিস্থিতি না ঠেকাতে দেশে হাজির হলো পঙ্গপালের।


এপ্রিল মাসে কক্সবাজরেন টেকনাফ জুড়ে একধরনে
ক্ষতিকর পোকা দেখা যাচ্ছে, যা গাছে কছি পাতা খেয়ে পেলছে, এ দেখে তোলপাড় হয়ে পড়েছেন স্থানিয়রা।টেকনাফে যে  পতঙ্গ দেখা গিয়েছে তা কোনো ভাবেই আফ্রিকান লুকাস্ট বা পঙ্গপাল নয়।যেটা আক্রমন ঠেকাতে প্রস্তুত ভারত ও পাকিস্তান। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এটি সাধারন ক্ষতিকার স্থানিয় জাতের পোকা। তবে কিটবিজ্ঞানী অধ্যপক রুহুল আমিনের মতে, এটিও একধরনের লুকাস্ট বা পঙ্গপাল তবে আফ্রিকান জাতের নয়। কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, টেকনাফে দেখা পঙ্গতটি স্থানীয়ভাবে কৃটনাশ প্রয়োগ করে পাওয়া গেছে সফল হয়েছেন।
কিন্তু কিটবিজ্ঞানী অধ্যপক রুহুল আমিনের মতে,
মে মাসে পঙ্গপালের বংশবৃস্তারের উপযুক্ত সময় বলে বিবেচনা করা হয় তাই এখনি খাদ্য সকট মোকাবেলাই এখনি প্রতিরোধ করার তাগিত কিটবিজ্ঞানীদের।
 এইদিকে কৃষিমন্ত্রী নূরনবী বলছেন পঙ্গপালের আক্রমন ঠেকাতে যথেষ্ট প্রস্তুত আছেন এবং  পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

পঙ্গপালর কি...

এই পতঙ্গটি ঘাসফড়িং এর সমগোত্রের প্রানি,আচরন পরিবর্তন করে দল বেধে হয়ে উঠে পঙ্গপাল। আক্রমন করে মাঠে পর মাঠ ফসল উজাড় করে তারা। ১০ লক্ষ পঙ্গপালর একদিনে ৩৫ হাজার মানুষের খাবার খেয়ে পেলতে পারে। এরা মধ্যে ও পূর্ব আফ্রিকায় আক্রমন করেছে ঘাসফড়িং এর এই প্রজাতি, এবং ভারত ও পাকিস্তানে পাওয়া গেছে এর অস্তিত্ব।


এপ্রিল ৩০, ২০২০

বাড়ছে বজ্রপাত, রক্ষা পেতে কিছু সতর্কতা।



বজ্রপাত কি এবং কেন হয়?
বজ্রপাত বলতে আকাশের আলোর ঝলকানিকে বুঝায়। এই সময় উক্ত এলাকার বাতাসের প্রসারন এবং সংকোচনের ফলে আমরা বিকট শব্দ শুনতে পাই। এ ধরনের বৈদ্যুতিক আধানের নির্গমন দুটি মেঘের মধ্যে অথবা একটি মেঘ এবং ভূমির মধ্যেও হতে পারে।
 বজ্রপাত বলতে আকাশের আলো ঝলকানিকে বুঝায়
 বজ্রপাত হওয়ার সময় উক্ত এলাকার বাতাসের প্রসারন এবং সংকোচনের ফলে আমরা বিকট শব্দ শুনতে পাই।এ ধরনের বৈদ্যুতিক আধানের নির্গমন দুটি মেঘের মধ্যে অথবা একটি মেঘ এবং ভূমির মধ্যেও হতে পারে। বজ্রপাত মেঘ, বাতাস বা মাটির মধ্যে বায়ুমণ্ডলে বিদ্যুতের একটি বিশাল স্ফুলিঙ্গ।  বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে, বায়ু মেঘের মধ্যে এবং মেঘ এবং ভূমির মধ্যে ধনাত্মক এবং নেতিবাচক চার্জের মধ্যে অন্তরক হিসাবে কাজ করে।  যখন বিপরীত চার্জগুলি যথেষ্ট পরিমাণে আপ হয়, বাতাসের এই অন্তরক ক্ষমতাটি ভেঙে যায় এবং একটি বিদ্যুতের দ্রুত স্রাব হয় যা আমরা বজ্র হিসাবে জানি।  বিপরীতে চার্জগুলি আবার তৈরি না হওয়া পর্যন্ত বজ্রপাতের ফ্ল্যাশ অস্থায়ীভাবে বায়ুমণ্ডলে চার্জড অঞ্চলগুলিকে সমান করে দেয়।
বজ্রবিদ্যুৎ মেঘের মধ্যে বিপরীত চার্জগুলির মধ্যে "ইন্ট্রা-ক্লাউড বজ্রপাত" বা মেঘের মধ্যে এবং মাটিতে বিপরীত চার্জগুলির মধ্যে মেঘ থেকে মাটিতে বজ্রপাত হতে পারে।বজ্রপাত পৃথিবীর প্রাচীনতম পর্যবেক্ষণ প্রাকৃতিক ঘটনাগুলির মধ্যে একটি।  এটি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, অত্যন্ত তীব্র বর্নের আগুন, পৃষ্ঠের পারমাণবিক বিস্ফোরণ, ভারী তুষার ঝড়, বড় বড় ঘূর্ণিঝড় এবং স্পষ্টতই ঝড়ো ঝড় দেখা যায়।

এখন বৈশাখ মাস। আর বৈশাখ মানেই কালবৈশাখী ঝড়। এ সময় ঝড়ো হাওয়া আর তার সঙ্গে বজ্রপাতের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। মাঝে মধ্যেই বজ্রপাতে বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। বজ্রপাতের সময় বাড়ির মধ্যে থাকলে তাও কিছুটা বাঁচা যায়। 
তবে বাড়ির বাহিরে অথবা রাস্তায় থাকাকালীন সময় এমন পরিস্থিতিতে পড়লে কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন তার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানুন।

১. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকুন বজ্রপাত হলে উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এ সব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না। ফাঁকা জায়গায় কোনও যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

২. পাকা বাড়ির নীচে আশ্রয় নিন ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু জায়গায় না থাকাই ভালো। এ অবস্থায় সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনও দালানের নীচে আশ্রয় নিতে পারেন।

৩. ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলুন বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।

৪. জানালা থেকে দূরে থাকুন বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন।

৫. বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতরে থাকলে সম্ভব হলে গাড়িটি নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। গাড়ির ভেতরের ধাতব বস্তু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। গাড়ির কাচেও হাত দেবেন না।

৬. টিভি-ফ্রিজ থেকে সাবধান বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাষ পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন।

৭. খালি পায়ে বা পা খোলা জুতো নয় বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। যদি একান্ত বেরোতেই পা ঢাকা জুতো পড়ে বের হোন। রবারের গাম্বুট এ ক্ষেত্রে সব থেকে ভালো কাজ করবে।

৮. বৃষ্টির সময় রাস্তায় জল জমাটা আশ্চর্য নয়। তবে বাজ পড়া অব্যাহত থাকলে সে সময় রাস্তায় বের না হওয়াই মঙ্গল। একে তো বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। উপরন্তু কাছাকাছি কোথাও বাজ পড়লে বিদ্যুত্‍স্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়।

৯. চার পাশে খেয়াল রাখুন বজ্রপাতের সময় রাস্তায় চলাচলের সময় আশেপাশে খেয়াল রাখুন। যে দিকে বাজ পড়ার প্রবণতা বেশি সে দিক বর্জন করুন। কেউ আহত হলে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

১০. আপনার বাড়িকে বজ্রপাত থেকে নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। এজন্য আর্থিং সংযুক্ত রড বাড়িতে স্থাপন করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিতে হবে। ভুলভাবে স্থাপিত রড বজ্রপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে।



এপ্রিল ৩০, ২০২০

বলিউড অভিনেতা ঋষি কাপুর ক্যান্সার ও শ্বাসকষ্টের মারা গেছেন|



বলিউড রোমান্টিক নায়ক হিরো’ ঋষি কাপুর ভারতের অন্যতম প্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা যিনি তাঁর রোমান্টিক ভূমিকার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন তিনি মারা গেছেন।  তিনি ৬৭ বছর বয়সী ছিলেন।

২৯ এপ্রিল বুধবার কাপুর মুম্বাইয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বুধবার তার ভাই রণধীর ভারতীয় গণমাধ্যমকে বলেছেন তিনি ক্যান্সারে ভুগছেন এবং শ্বাসকষ্টের কিছু সমস্যা রয়েছে তাই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

২৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে আরও এক ভারতীয় তারকা ইরফান খানের মৃত্যুর একদিন পর কাপুর মারা যান।

কাপুর প্রথমে ২০১৮ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এবং ২০১৯ সালে প্রাথমিকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা গ্রহণ করেছিলে এরপর গত সেপ্টেম্বরে ভারতে ফিরে আসেন। ভারতে আসার পর তিনি বেশ কয়েকবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

ঋষি কাপুর ১৯৭০ সালে বলিউড চলচ্চিত্র "মেরা নাম জোকার" শিশু শিল্পী হিসেবে অভিনয় মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা পেলেন, চলচ্চিত্রটি পরিচালক ছিলেন তার বাবা "রাজ কাপুর"। চলচ্চিত্রটিতে শিশু শিল্পী হিসেবে অভিনয় করে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্রে পুরস্কার জিতে নেন। তারপর তিনি ববি চলচ্চিত্রে ডিম্পল কাপাডিয়ার সাথে প্রথম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান। ববি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার লাভ করেন।
দুই দশকের বেশি সময় থেকে তিনি ৯২টি রোমান্টিক চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন।


ঋষি কাপুরের ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫২ ভারতের চেম্বুর কাপুর পরিবারে তার জন্ম গ্রহন করেন । তার বাবা
ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও হিন্দি চলচ্চিত্রের পরিচালক রাজ কাপুর।
তিনি ১৯৮০ সালের ২২ জানুয়ারী ভারতীয় অভিনেত্রী রিতু সিংকে বিয়ে করেন। তার দুই সন্তান 
রিধিমা কাপুর সাহানি,অভিনেতা রণবীর কাপুর।ঋষি কারিশমা কাপুর এবং কারিনা কাপুর এর কাকা হন।





বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২০

এপ্রিল ২৯, ২০২০

দেশে দেশে লকডাউন লঙ্ঘনকারীদের শাস্তি।



দেশে দেশে লকডাউন লঙ্ঘনকারীদের কঠোর শাস্তি!

১/ লকডাউনে না মানার শাস্তি নাইজেরিয়া

এআরআই, নাইজেরিয়া - কর্নাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধের লক্ষ্যে হোম করেন্টাইনে থাকার নির্দেশ অমান্য করলে গুলি করে হত্যা করা হবে।

2/লকডাউনে না মানার শাস্তি ফিলিপাইনে

ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি রদ্রিগো বলেছেষ করোনভাইরাস লকডাউন  লঙ্ঘনকারীদেরকে গুলি করে হত্যা করা হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন এবং বলেছিলেন যে চিকিত্সা কর্মীদের উপর নির্যাতন একটি গুরুতর অপরাধ, যা সহ্য করা হবে না।

৩ / লকডাউনে না মানার শাস্তি ভারতে

যারা লকডাউন অমান্য করবে কিংবা সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেবে; তাদের এক থেকে দুই বছরের জেলে পাঠাতে রাজ্যগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সঙ্গে লকডাউন মানাতে আরও কঠোর হতেও নির্দেশ দেয়। সব রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব কঠোর নির্দেশনা পাঠিয়েছেন। আইন অনুযায়ী লকডাউন ভাঙার কারণ হিসেবে মিথ্যা দাবি করলে দুই বছর পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা হতে পারে। লকডাউন বলবতে বাধা দেওয়ার শাস্তি দুই বছর পর্যন্ত জেল। 

৪/ লকডাউনে না মানার শাস্তি অস্ট্রেলিয়ার

অস্ট্রেলিয়ায় তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকিজ্জ্ল
করোনাকে ঠেকাতে কঠোর হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। পুরো দেশ লকডাউনে না গেলেও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছে দেশটি। কোয়ারেন্টাইনে থাকার চর্চা এখন থেকেই শুরু করেছে দেশটি।

৫/ লকডাউনে না মানার শাস্তি রাশিয়ায়

রাশিয়ায় সাত বছরের জেল
রাশিয়াতে পাস হয়েছে নতুন আইন। করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এই আইন এরই মধ্যে আলোচনার ঝড় তুলেছে। রাশিয়াতে কোয়ারেন্টাইন নিয়মের গুরুতর লঙ্ঘন হলে ওই আইনে সাত বছরের কারাদ-েরও বিধান রয়েছে।

৬/ লকডাউনে না মানার শাস্তি পানামায়
পানামায় চলছে কঠোর কোয়ারেন্টাইন। সব অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বন্ধ রয়েছে দেশটিতে। প্রতিদিন রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলছে কারফিউ। জরুরি প্রয়োজন ও খাবার কিনতে বেরোনো ছাড়া সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারপরেও উদ্বেগজনকহারে লোকজন ঘরের বাইরে যেতে থাকায় নারী ও পুরুষের জন্য সপ্তাহের দিনগুলো ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। লকডাউন বাস্তবায়নে পানামায় নারী-পুরুষকে আলাদা চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

৭/ লকডাউনে না মানার শাস্তি ইতালিতে

 ইতালিতে করোনভাইরাস লকডাউন কারনে  পুরো দেশ এখন লকডাউ। করোনভাইরাস রোধ ঠেকাতে আইন জারী করা হয় লকডাউন লঙ্ঘনকারীদের জরিমানা, সর্বোচ্চ ২১ বছর জেল করা হবে।

৮/ লকডাউনে না মানার শাস্তি অস্ট্রিয়া

অস্ট্রিয়া ৩৬০০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা
অস্ট্রিয়ায় চলছে কঠোর লকডাউন। ৯০ লাখ মানুষের দেশটিতে লকডাউন থাকবে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত। পাঁচজনের বেশি একসঙ্গে থাকতে পারবেন না। সব  রেস্টুরেন্ট, বার বন্ধ। কেউ নিষেধাজ্ঞা না মানলে ৩৬০০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে।

৯/ লকডাউনে না মানার শাস্তি জার্মানিতে

জার্মানিতে সর্বোচ্চ জরিমানা
কঠোর কোয়ারেন্টাইন পালন করছে জার্মানি।
জার্মানিতে করোনভাইরাস লকডাউন কারনে  পুরো দেশ এখন লকডাউ। করোনভাইরাস রোধ ঠেকাতে আইন জারী করা হয় লকডাউন লঙ্ঘনকারীদের ২৫ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা।

১০/ লকডাউনে না মানার শাস্তি সৌদিতে

সৌদিতে করোনাকে ঠেকাতে লকডাউন, কারফিউ জারি রয়েছে। কারফিউ না মানলে জরিমানাসহ কারাদ-ের বিধান রাখা হয়েছে। সৌদিতে কারফিউর সময়ে ঘরের বাইরে বের হলে প্রথমবার ১০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে। পুনরায় আইন ভঙ্গ করলে জরিমানার পরিমাণ দ্বিগুণ হবে।

এপ্রিল ২৯, ২০২০

করোনাভাইরাস টিপস: কোভিড-১৯ রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও সুরক্ষার উপায়।



করোনা এদেশে মহামারী আকারে ছড়াবে কিনা সেটা সম্পূর্ণ আমাদের উপর নির্ভর করছে। আপনি আমি সচেতন ও সতর্ক না হলে সরকার, ডাক্তার বা অন্যকোন দৈবশক্তি আমাদের বাঁচাতে পারবে না। অনেক হেলাফেলা করেছেন, এবার নিজেকে এবং প্রিয়জনকে নিরাপদ রাখতে অবশ্যই ঘরে থাকুন আর একটা নিয়মতান্ত্রিক রুটিনে চলে আসুন। 

অভিজ্ঞতার মূল্য সবচেয়ে বেশি। 'Covid 19' সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে  ফিরে আসা একজনের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা নিজেদের প্রস্তুত করতে পারি।

১. প্রতিদিন ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খাওয়া (যথাসম্ভব) 
২. ভিটামিন ই জাতীয় খাবার (ট্যাবলেট পাওয়া যায়)
৩. প্রতিদিন সকাল ১১ টার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রোদ পোহানো।
 ৪. কমপক্ষে একটি করে ডিম প্রতিদিন।
 ৫. প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা নির্বিঘ্ন ঘুম।
 ৬. প্রতিদিন কমপক্ষে ১.৫ লিটার পানি পান (ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলা) এবং প্রতি বেলায় গরম খাবার খাওয়া।
 
--হাসপাতালে কিন্তু এই কাজগুলোই করা হয়।

করোনা ভাইরাসের দেহের pH এর মান 5.5 থেকে 8.5। তাই এর চেয়ে বেশি  pH level এর খাবার গ্রহনের মাধ্যমে আমরা এর রাসায়নিক গঠন ভেঙ্গে দিতে পারি।

5.5 থেকে 8.5 এর থেকে বেশি  pH level এর কিছু খাবারঃ

লেবু - 9.9, পাতিলেবু - 8.2, এভোকাডো - 15.6, রসুন- 13.2, আম- 8.7, ছোট কমলা - 8.5, আনারস- 12.7, ডালিয়া ফুল - 22.7, কমলালেবু  - 9.2 pH

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হবার কিছু সাধারণ লক্ষণ, যেমন- গলা চুলকাবে, গলা শুকিয়ে আসবে, শুকনা কাশি হবে, তীব্র জ্বর, শ্বাস ছোট হয়ে আসবে, গন্ধ ও স্বাদের অনুভুতি চলে যাবে।

এ জাতীয় লক্ষণ দেখা দেয়ার সাথে সাথে গরম পানি ও লেবুর রস খেতে শুরু করুন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, হেফাজত করুন।
এপ্রিল ২৯, ২০২০

কিম জং উন জীবিত ও ভালো আছেন, দক্ষিণ কোরিয়া|



 


উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বেঁচে আছেন কি না, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হলেও তা বারবারই উড়িয়ে দিলো উত্তর কোরিয়া।

 রবিবার ( ২৬ এপ্রিল) সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে জাতীয় সুরক্ষা বিষয়ক মুনের বিশেষ উপদেষ্টা মুন চুং-ইন বলেছেন, "আমাদের সরকারের কিম জং উন বেঁচে আছেন এবং ভাল আছেন।

 ১৩ ই এপ্রিল থেকে কিম দেশের পূর্বাঞ্চলের একটি রিসর্ট শহর - ওনসানে অবস্থান করেন। সেখানে ‘এখনও পর্যন্ত কোনো সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত হয়নি’ বলে জানিয়েছেন তিনি।

 কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন উন। অস্ত্রোপচারের পর তার অবস্থা সংকটজনক। তখন ১৫ এপ্রিল থেকেই কিমের স্বাস্থ্য নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়।

আবার সেদিন উত্তর কোরিয়া প্রতিষ্ঠাতা - তাঁর দাদা কিম ইল সুংয়ের জন্মদিন ছিলো। দাদা জন্মদিনের  অনুষ্ঠানে কিম জং অনুপস্থিত  ছিলেন।তাঁর এই অনুপস্থিতির কারণেই তার স্বাস্থ্য নিয়ে সন্দেহ ও গুঞ্জন তৈরি হয়।

তার অনুপস্থিতি তার অবস্থা নিয়ে একাধিক জল্পনা
প্রতিবেদন প্রকাশিত মিডিয়া  প্রকাশ করেছে,  

১১ এপ্রিল ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো বৈঠকের  সর্বশেষ সভাপতিত্ব করতে দেখা গিয়েছিল ।এবং 
এরপর থেকে উত্তর কোরিয়ার কোনও রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমেই তার ছবি দেখা যায়নি বা ভাষণ প্রকাশিত হয়নি। তার শরীর-স্বাস্থ্য নিয়েও
 গণমাধ্যম আর মুখ খোলেনি।
  
সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ার মন্ত্রী কিম ইওন-চুল পুনরায় বলেছেন যে বিষয়টি এখনও অব্যাহত রয়েছে, 
“আমাদের নিশ্চিত করার মতো কিছু নেই এবং এখনও পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার ভিতরে কোনো বিশেষ গতিবিধি শনাক্ত হয়নি।”